চট্টগ্রাম-১ আসনে ধানের শীষের বড় ব্যবধানে এগিয়ে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২১ বার

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের বেসরকারিভাবে পাওয়া আংশিক ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। মোট ১০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬৫টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এই কেন্দ্রগুলোর প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে নুরুল আমিন ৮৩ হাজার ২৮ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমানকে ৩২ হাজার ৯৮৪ ভোটের ব্যবধানে পেছনে ফেলেছেন।

ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্থির সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম-১ আসনের ভোটাররা সকাল থেকেই উৎসাহের সঙ্গে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। নারী এবং তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ছিল। কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

নুরুল আমিনের সমর্থকরা প্রার্থীকে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা বলছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং কৃষি উন্নয়নসহ নানা প্রতিশ্রুতি ভোটারদের সমর্থন জেতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমানও মাঠে সক্রিয় ছিলেন। তবে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী ধাপিয়ে এগিয়ে থাকায় তার অবস্থান তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে।

৬৫টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রমাণ করছে যে নুরুল আমিন চেয়ারম্যান একটি শক্তিশালী জনপ্রিয়তা ও সমর্থন পেয়েছেন। তবে ৪১টি কেন্দ্রের ফলাফল এখনও বাকি থাকায় চূড়ান্ত চিত্র প্রকাশিত হলে ব্যবধান পরিবর্তিত হতে পারে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন এই ব্যবধান প্রার্থীকে নির্বাচনী সুবিধা দিচ্ছে, কিন্তু ভোটের বাকি কেন্দ্রের ফলাফল পুরো অবস্থার সমন্বয় ঘটাবে।

স্থানীয় রাজনীতিতে চট্টগ্রাম-১ আসন দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে কেন্দ্রে ভোটাররা উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করেছেন। ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা মোটামুটি স্বাভাবিক ছিল। কিছু বিচ্ছিন্ন উত্তেজনা দেখা গেলেও তা প্রশাসন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর স্থানীয় সমর্থকরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করলে বিজয়ী প্রার্থী সরকারিভাবে স্বীকৃতি পাবেন। ভোটাররা এখন নির্বাচিত প্রতিনিধির কার্যকর ভূমিকা ও প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের দিকে তাকিয়ে আছেন।

এই ফলাফল রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে চট্টগ্রাম-১ এর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। প্রাথমিক ব্যবধান বড় হওয়ায় ধানের শীষের প্রার্থীকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখছে। একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের জন্য এটি সংগঠনের পুনর্বিবেচনার সংকেত হিসেবে ধরা হচ্ছে।

চূড়ান্ত ফলাফলের আগে বাকি কেন্দ্রের ভোট গণনা সম্পন্ন হলে আসনটিতে চূড়ান্ত বিজয়ী নিশ্চিত হবে। ভোটাররা এখন নতুন প্রতিনিধির কার্যকর নেতৃত্ব, এলাকার উন্নয়ন এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন প্রত্যাশায় দিন গণনা করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত