পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক বেসরকারিভাবে জয়ী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০ বার

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

পটুয়াখালী–৩ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী মো. নুরুল হক বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট সূত্রে তার বিজয়ের তথ্য জানা যায়। উপকূলঘেঁষা এই আসনে ফল ঘোষণার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে নীরব উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রাথমিক হিসাবে দেখা গেছে গণনা শেষে নুরুল হক এগিয়ে থাকেন। আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের আগে ফলাফল বেসরকারি হিসেবে বিবেচিত হবে। তবু সমর্থকদের মাঝে উচ্ছ্বাস থামেনি। বিভিন্ন এলাকায় শুভেচ্ছা বিনিময় এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ লক্ষ্য করা গেছে।

পটুয়াখালী–৩ ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। নদীভাঙন, উপকূলীয় দুর্যোগ, কৃষি উৎপাদন এবং মৎস্যনির্ভর জীবিকা এখানে প্রধান ইস্যু। নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থীরা অবকাঠামো উন্নয়ন, সাইক্লোন শেল্টার বৃদ্ধি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসারের অঙ্গীকার দেন। নুরুল হক প্রচারণায় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখেন বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।

ভোটগ্রহণের দিন সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে সতর্ক নিরাপত্তা ছিল। কিছু স্থানে ধীর উপস্থিতি দেখা গেলেও সময় বাড়ার সঙ্গে ভিড় বৃদ্ধি পায়। নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল দৃশ্যমান। তরুণদের উপস্থিতিও আলোচনায় আসে। নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন সার্বিক পরিবেশ শান্ত ছিল।

এবারের জাতীয় নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১২০ জন। বিপুল এই ভোটারসমষ্টির অংশ হিসেবে পটুয়াখালী–৩ আসনের ফল জাতীয় চিত্রেও গুরুত্ব বহন করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন উপকূলীয় অঞ্চলে উন্নয়ন ও সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রশ্নে ভোটাররা এবার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। নুরুল হকের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন। নদীভাঙন প্রতিরোধ, কৃষি সহায়তা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি উঠতে পারে।

ফল ঘোষণার পর নুরুল হকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। তবে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন তিনি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সামনে দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

উপকূলের মানুষ উন্নয়ন চায়। টেকসই সুরক্ষা চায়। স্থিতিশীল প্রতিনিধিত্ব চায়। এখন দৃষ্টি নির্বাচিত প্রতিনিধির কার্যকর পদক্ষেপের দিকে। পটুয়াখালী–৩ আসন নতুন প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত