প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার খুলনা ও মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২২ অক্টোবরের এই সফরে সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট আকাশপথে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি মোংলা বন্দরের জেটি এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট মহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। তাঁদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন ধরে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যেসব অর্থনৈতিক সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি, সেগুলো বাস্তবায়নে নতুন গতি আনতে পারে এই সফর।
নির্বাচনের পর সরকারপ্রধান হিসেবে খুলনা ও মোংলায় এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। ফলে প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি সফরটি স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। খুলনা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা ও মোংলাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় অর্থনীতির সম্প্রসারণের প্রত্যাশা করে আসছেন। তাঁদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল একটি সরকারি পরিদর্শন নয়, বরং এলাকার সম্ভাবনাগুলো জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় কতটা গুরুত্ব পাবে, তা দেখার একটি উপলক্ষ।
সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তাঁর দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণের কথা রয়েছে। সেখান থেকে কোস্টগার্ডের দ্রুতগতির নৌযানে আকরাম পয়েন্টের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। পরবর্তী সময়ে নৌপথে মোংলা বন্দরে পৌঁছে নির্ধারিত সভায় অংশ নেওয়া এবং বন্দরের জেটি পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে। তবে সফরের চূড়ান্ত সময়সূচি ও কর্মসূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে দাকোপের নলিয়ান এলাকায় প্রস্তুতি চলছে। বিদ্যালয় মাঠসহ সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। অনেকে তাঁকে সরাসরি দেখার প্রত্যাশা করছেন। আবার অনেকের আগ্রহ, সফরের মধ্য দিয়ে তাঁদের এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা ও উন্নয়নসংক্রান্ত দাবিগুলো সরকারের নজরে আসবে কি না।
দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার দাকোপের নলিয়ানে আসবেন। এটি সরকারি সফর এবং সেখানে স্থানীয় কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নির্ধারিত নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় মানুষের মধ্যেও তাঁকে একনজর দেখার আগ্রহ রয়েছে।
দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দিন মিঠুও সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য সূচি অনুসারে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন। এরপর কোস্টগার্ডের দ্রুতগতির নৌযানে আকরাম পয়েন্টের দিকে যাত্রা করবেন। দাকোপে তাঁর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই বলে জানানো হয়েছে। ফলে এই অংশের সফরে মূলত সুন্দরবন ও সংশ্লিষ্ট এলাকার ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব পর্যবেক্ষণের বিষয়টি প্রাধান্য পেতে পারে।
সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত সুন্দরবন বাংলাদেশের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, উপকূলীয় সুরক্ষা এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। বনটি ঘিরে মধু সংগ্রহ, মাছ ধরা, কাঁকড়া আহরণ, পর্যটন ও নৌপরিবহনসহ নানা ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভরশীল বহু পরিবারের কাছে সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং জীবিকা ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
একই সঙ্গে সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও উপকূলীয় দুর্যোগের প্রভাব মোকাবিলায় প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর মানুষের বিভিন্ন চাপ এই অঞ্চলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তাই সুন্দরবন পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পাশাপাশি বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বননির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে তা দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় অর্থনীতি উভয়ের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।
সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণের পর প্রধানমন্ত্রীর মোংলা বন্দরে যাওয়ার কথা রয়েছে। দেশের সমুদ্রবাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পায়নের ক্ষেত্রে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। বন্দরটির সক্ষমতা বাড়ানো গেলে পণ্য পরিবহনের বিকল্প সুযোগ সম্প্রসারিত হতে পারে এবং ব্যবসায়ীদের জন্য সরবরাহব্যবস্থা আরও কার্যকর করার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও কৃষিপণ্য উৎপাদকদের জন্য বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
তবে বন্দরের সম্ভাবনাকে বাস্তব অর্থনৈতিক সুফলে রূপ দিতে শুধু জেটি বা অবকাঠামো পরিদর্শন যথেষ্ট নয়। পণ্য ওঠানামার সক্ষমতা, নৌপথের নাব্যতা, সড়ক ও রেল যোগাযোগ, পণ্য পরিবহনের ব্যয়, আধুনিক সংরক্ষণব্যবস্থা এবং বন্দরসংলগ্ন শিল্পাঞ্চলের কার্যকর সংযোগের মতো বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে নতুন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠতে পারে। এর ফলে পরিবহন, গুদামজাতকরণ, সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিভিন্ন সেবাখাতে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়েও আলোচনা ও পরিদর্শনের বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে। পরিকল্পিত অর্থনৈতিক অঞ্চল কার্যকরভাবে গড়ে তোলা গেলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ, শিল্পকারখানায় কাজ এবং সংশ্লিষ্ট সেবাখাতে কর্মসংস্থানের নতুন পথ তৈরি হওয়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এ অঞ্চলে বিনিয়োগের সম্ভাবনা থাকলেও তা বাস্তবায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য অবকাঠামো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ, দক্ষ শ্রমশক্তি, সহজ ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা প্রয়োজন। বিনিয়োগকারীদের জন্য নীতিগত স্থিতিশীলতা ও প্রশাসনিক সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারলে স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন শিল্প ও সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। তবে বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে বাস্তব কর্মসংস্থানে রূপ দিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা, অর্থায়ন এবং পরিবেশগত প্রভাবের বিষয়গুলো স্পষ্ট করা জরুরি।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশার একটি বড় অংশ কর্মসংস্থানকে ঘিরে। স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ না থাকলে অনেক তরুণকে জীবিকার সন্ধানে অন্য জেলা কিংবা বড় শহরে যেতে হয়। শিল্পায়ন, বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা, পর্যটন এবং পরিবহন খাতে পরিকল্পিত উন্নয়ন হলে তাঁদের একটি অংশ নিজ এলাকাতেই কাজের সুযোগ পেতে পারেন। এতে স্থানীয় পরিবারগুলোর আয় বাড়ার পাশাপাশি আবাসন, খাদ্য, খুচরা ব্যবসা ও অন্যান্য সেবাখাতেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের দক্ষতা উন্নয়ন এবং তাঁদের জন্য কাজের সুযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও স্থানীয় জনগোষ্ঠী যদি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ না পান, তাহলে উন্নয়নের সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছাবে না। তাই বিনিয়োগের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং স্থানীয় সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশার আরেকটি দিক হলো পরিবেশ ও উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা। সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবেশগত ঝুঁকি, নদী ও জলাভূমির সুরক্ষা এবং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সেই সম্পদ সংরক্ষণ করাও অপরিহার্য।
এদিকে, আগামী ৫ নভেম্বর আবারও খুলনায় যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ওই দিন খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর একাধিক সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ক্রীড়া আয়োজন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ—সব মিলিয়ে খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন সম্ভাবনা নতুন করে আলোচনায় আসার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবারের খুলনা ও মোংলা সফরে সুন্দরবনের পরিবেশগত গুরুত্ব, মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সক্ষমতা এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিনিয়োগ সম্ভাবনা বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। তবে এই সফরের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে পর্যবেক্ষণ ও আলোচনার পর কী ধরনের বাস্তব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সেগুলো কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় তার ওপর। স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়ন পরিকল্পনা যেন শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য এই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গিই হতে পারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত