প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটায় তার ভাষণটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি সরাসরি সম্প্রচার করবে।
ভাষণে নাহিদ ইসলাম দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনের গুরুত্ব ও নাগরিকদের দায়িত্বের উপর গুরুত্বারোপ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এনসিপি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভাষণে সাধারণ মানুষকে ভোটের মাধ্যমে তাদের অধিকার ব্যবহার করার আহ্বান জানানো হবে এবং দেশের উন্নয়নের জন্য সক্রিয় অংশগ্রহণের বার্তা প্রদান করা হবে।
এর আগে, নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপির চেয়ারম্যেন তারেক রহমান এবং জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও পৃথকভাবে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ভাষণগুলো নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর দর্শক, সমর্থক ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সরকারি টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ভাষণটি দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ দেখতে পারবেন, যা নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের সরাসরি ভাষণ রাজনৈতিক দলগুলোর মূলমন্ত্র ও প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষাপট জনগণের সামনে তুলে ধরার একটি সুযোগ।
এদিকে, ভোটের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন মাঠে রয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।
সারাদেশে মোটরসাইকেল ও কিছু যানবাহনের চলাচল বিধিনিষেধ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে ভোট কেন্দ্রে কোনো বাধা বা গোলযোগ না ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে নাহিদ ইসলামের ভাষণ সাধারণ ভোটারদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি নির্বাচনের গুরুত্ব বোঝাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এনসিপি’র আহ্বায়ক ভাষণের মাধ্যমে দেশের জনগণকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানাবেন এবং ভোটের দিন তাদের দায়িত্বশীল আচরণের জন্য প্রেরণা দেবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে এই ধরনের সরাসরি ভাষণ রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা ও সমর্থন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।