সর্বশেষ :
আজ সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৃষি-উড়োজাহাজ চুক্তি স্বাক্ষর শিশুদের আসক্তি তৈরির অভিযোগে মেটা-ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার এক বছরে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে মালয়েশিয়ার অর্থনীতি ঢাকা–১১ আসনে পোস্টার নয়, মানুষের মন জয়ের লড়াই বগুড়ায় বিএনপির ‘দুর্গে’ চ্যালেঞ্জ, তিন আসনে জামায়াতের কড়া লড়াই ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২ হাজার ৩৮৫ এপস্টিনের কোটি কোটি ডলারের সম্পদের উত্তরাধিকারী কারা রাজধানীর আসনে নারী প্রার্থীদের ইশতেহারে নাগরিক সংকটের অঙ্গীকার

তারেক রহমানের নির্বাচনি সফরে ১৯ দিনে ৪৩ জনসভা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪ বার
তারেক রহমান নির্বাচনি সফর ৪৩ জনসভা

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৯ দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৩টি নির্বাচনি জনসভা ও পথসভা সম্পন্ন করেছেন। তার নির্বাচনি প্রচার অভিযান শুরু হয় সিলেট থেকে, যেখানে তিনি প্রথমে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। এই ঐতিহ্য অনুসরণ করে, তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সিলেট থেকে সারা দেশের নির্বাচনি সফর শুরু করেছেন। নির্বাচনি কর্মসূচিতে তিনি জনগণকে ধানের শীষ প্রতীককে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান এবং বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের জন্য তার দলীয় পরিকল্পনা ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিনে, ২২ জানুয়ারি, তারেক রহমান সাতটি জনসভায় বক্তব্য দেন। প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয় সিলেট আলিয়া মাদরাসার মাঠে। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম চালান। ২৩ জানুয়ারি বিকেলে তিনি নিজের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের ভাষানটেক বিআরবি ময়দানে জনসভায় যোগ দেন।

২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে পলোগ্রাউন্ডে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিয়ে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেন। তার বক্তব্যে উল্লেখ থাকে যে, দেশের জনগণ পাশে থাকলে আইনশৃঙ্খলা কঠোরভাবে প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে। একই সাথে নির্বাচনি সফরে তিনি ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে জনসভায় অংশগ্রহণ করেন।

২৭ জানুয়ারি ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠ থেকে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেন, এরপর গাজীপুর ও ঢাকার উত্তরায় জনসভা করেন। ২৯ জানুয়ারি তিনি উড়াল পথে উত্তরাঞ্চলে যান। ফ্যাসিবাদী আমলের দীর্ঘ নির্বাসন শেষে প্রথমবার বগুড়ায় পৈতৃক ভিটায় পা রাখেন এবং বিকেলে রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। রংপুরে নির্বাচনি সমাবেশেও অংশ নেন। ৩১ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে জনসভা করেন।

২ ফেব্রুয়ারি খুলনা ও যশোরে নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেন। ৪ ফেব্রুয়ারি হেলিকপ্টারে বরিশাল স্টেডিয়ামে পৌঁছে নগরের বান্দ রোডের বেলস পার্কে জনসভায় বক্তব্য দেন। এরপর হেলিকপ্টারে ফরিদপুর গিয়ে জেলা প্রশাসনিক মাঠে নির্বাচনি সমাবেশ করেন। সেখানে তিনি ফরিদপুরকে বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং নদী ভাঙনের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান দ্বিতীয় দফায় উত্তরবঙ্গ সফরে যান। ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও দিনাজপুরে তিনি নির্বাচনি জনসভা করেন। ঠাকুরগাঁওয়ে তিনি নতুন মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল এবং বিমানবন্দর চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। স্বাস্থ্য রূপান্তর, কৃষি, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য ফার্মার কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

সর্বশেষ ঢাকার ১৫টি স্থানে জনসভায় অংশ নিয়ে ঢাকাকে একটি নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, ঢাকায় ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ এবং সড়কগুলো প্রশস্ত করা হবে। নাগরিকরা সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবে।

তারেক রহমানের নির্বাচনি সফর প্রমাণ করে যে, বিএনপি ভবিষ্যতে সরকারের দায়িত্ব নিলে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তিনি সব সময়ে ধানের শীষ প্রতীককে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন এবং জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত