প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তিনি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের সঙ্গে এই আশাব্যঞ্জক কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘এই অফিসেই ম্যাডামের সঙ্গে বহু কর্মসূচি পালন করেছি। তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।’ এখানে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার অবদান স্মরণ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সাংবাদিকদের ভূমিকা ইতিহাসে লেখা থাকবে। তাদের সততা ও পেশাদারিত্ব দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। অল্প সময়ে তিনি দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন। বিএনপি মহাসচিব জানান, দল এবং সরকার তার নেতৃত্বে সুসংগঠিত ও সফল হবে, এবং দেশের মানুষের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশের উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েই দল কাজ করছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রসঙ্গেও তিনি সাংবাদিকদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কিছু প্রথা আছে, সেগুলো সম্পূর্ণরূপে মেনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নারীদেরও মনোনয়ন দেওয়া হবে। আমরা নারী নেতৃত্বকে উৎসাহিত করতে ও ক্ষমতায় রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে বিএনপি দেশের মানুষের বিশ্বাস অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করবে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পারদর্শিতা ও সুবিন্যস্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগ স্থাপন, তাঁদের সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং জনমতকে সম্মান জানানো সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ নতুনভাবে এগিয়ে যাবে। জনগণ আবারও স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূ সরকারের অভিজ্ঞতা লাভ করবে।’
মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাযথ নিয়ম ও প্রক্রিয়া মেনে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী পরিবেশে স্বচ্ছতা, সুষ্ঠু ভোটাধিকার এবং অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে নারীদের অংশগ্রহণ এবং ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি দল সরকারের কাছে অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আস্থা, স্বচ্ছতা ও সংহতি ফেরাতে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করছি। নতুন নেতৃত্ব দেশের মানুষের আস্থা অর্জন করবে এবং এক সুসংগঠিত দল হিসেবে দেশের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।’
মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দেওয়া, জনগণের আস্থা অর্জন এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়েই দল এগোচ্ছে। দেশের মানুষের উন্নয়ন, সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও নারীদের ক্ষমতায়ন—all—এই বিষয়গুলো নতুন বাংলাদেশের রূপায়ণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিবের ভাষ্য থেকে বোঝা যায় যে দল দেশের জনগণের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ স্থাপন, সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে নতুন নেতৃত্বের অধীনে দল ও সরকার কার্যক্রমে আরও ফলপ্রসূ ও সুসংগঠিত হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া, নারীদের ক্ষমতায়ন এবং জনগণের আস্থা অর্জনের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা স্মরণ করেছেন।
নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নারী নেতৃত্বের গুরুত্ব, সরকারের স্বচ্ছতা এবং জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষ্য—এগুলো মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে নতুন বাংলাদেশের রূপায়ণকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ নতুন দিকনির্দেশনায় এগিয়ে যাবে এবং জনগণ আবারও স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সরকারের অভিজ্ঞতা লাভ করবে।
বিএনপি মহাসচিবের কথায় পরিষ্কার হয়ে যায় যে নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশ সুসংগঠিত, স্বচ্ছ এবং ফলপ্রসূ সরকারের অভিজ্ঞতা অর্জন করবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে সরকারের এবং দলের সকল কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমূলক হবে।