মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৪১ বার
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা Islamic Revolutionary Guard Corps ঘোষণা দিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরাইলি বোমা হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ষষ্ঠ দফায় এ আঘাত হানা হয়েছে।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বিস্তৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে হামলা পরিচালিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা এর পাশাপাশি ইসরাইলের তেল নফ বিমানঘাঁটি এবং তেলআবিবের হাকিরিয়ায় অবস্থিত সামরিক কমান্ড সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি বড় প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সেও আঘাত হানার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

IsraelUnited States এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করেনি। তবে আঞ্চলিক সামরিক সূত্রগুলো বলছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল এবং কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় নিশ্চিত তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।

কাতারের রাজধানী দোহা–তে অন্তত ১১টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইরানি হামলায় অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। প্রথম দফায় আটজন আহত হওয়ার খবর দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আরও আটজনের আহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আহতদের চিকিৎসা চলছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতেও দ্বিতীয় দিন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। যদিও সেখানকার কর্তৃপক্ষ এখনো নির্দিষ্ট করে কোনো স্থাপনার ক্ষতির কথা জানায়নি। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিমান চলাচল আংশিকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘একটির পর একটি’ হামলা চালিয়ে কঠোর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে। এ বক্তব্য আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সরাসরি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি পরিস্থিতিকে বৃহত্তর সংঘাতে রূপ দিতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন কূটনৈতিক মহল সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তেলের দাম তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা জানিয়েছেন।

একটি বাংলাদেশ অনলাইন আন্তর্জাতিক নির্ভরযোগ্য সূত্র পর্যবেক্ষণ করে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। হামলার প্রকৃতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা হালনাগাদ আকারে প্রকাশ করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতা ও সামরিক প্রস্তুতি সমান্তরালে এগোচ্ছে। অঞ্চলজুড়ে অনিশ্চয়তার ছায়া ঘন হয়ে উঠেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত