আজ থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর, কত হলো ভরি?

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৪২ বার
স্বর্ণের নতুন দাম

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

দেশের বাজারে আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের নতুন দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সর্বশেষ সমন্বয়ের মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম রোববার থেকে বাজারে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য নির্ধারণ অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা হয়েছে। বাজুস জানায়, এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও জুয়েলার্স নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে। সেই সময়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

চলতি বছরের শুরু থেকে দেশজুড়ে স্বর্ণের দাম ৩৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে ২২ বার, আর কমানো হয়েছে ১২ বার। ২০২৫ সালে দেশে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি ও ২৯ বার দাম হ্রাস করা হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার সঙ্গে দেশের বাজারের মূল্য সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বাজারে নতুন দামের কার্যকর হওয়া সাধারণ ভোক্তাদের জন্য দাম সংক্রান্ত পূর্বানুমান এবং বিনিয়োগ পরিকল্পনায় সহায়ক হবে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম বৃদ্ধির ফলে ক্রেতাদের আচরণে সাময়িক সতর্কতা দেখা দিতে পারে, তবে বাজারের স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের প্রতি আস্থাকে বজায় রাখবে।

অর্থনীতিবিদরা উল্লেখ করেছেন, দেশের ভোগ্যপণ্য বাজারে স্থিতিশীলতা এবং স্বর্ণের ক্রয়-বিক্রয়ে সুসংহত নীতি অবলম্বন করলে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগ পরিকল্পনায় প্রভাব কমে আসে। বিশেষ করে বিবাহ বা সামাজিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণ ক্রয় ও বিনিয়োগে নতুন দামের প্রভাব পরিমিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই সমন্বয়ের ফলে দেশের স্বর্ণবাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বর্ণের চাহিদা এবং ক্রয়ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে বিক্রেতাদের দাম স্থিতিশীল রাখার প্রচেষ্টা বাজারকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত