সরকারি দপ্তরে সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ছাড়াল ৫ মেগাওয়াট

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ বার
সরকারি দপ্তরে সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ছাড়াল ৫ মেগাওয়াট

প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

দেশের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারদের কার্যালয়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মোট উৎপাদন সক্ষমতা পাঁচ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সরকারি ভবনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্থাপিত এসব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর চাপ কমানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে স্থাপিত ব্যবস্থাগুলোর পূর্ণ সুবিধা পেতে এখনো কিছু প্রশাসনিক ও কারিগরি বাধা অতিক্রম করতে হচ্ছে। বিশেষ করে নেট মিটারিং চালু না হওয়ায় উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুতের বিপরীতে বিল সমন্বয়ের সুযোগ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর হয়নি। ফলে সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ এগোলেও এর আর্থিক সুফল পুরোপুরি কাজে লাগানো নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচির অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন পর্যন্ত দেশের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোতে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মোট উৎপাদন সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৬৬৩ কিলোওয়াট। অন্যদিকে, পাঁচটি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সক্ষমতা ৪০৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট। সব মিলিয়ে এসব কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত সক্ষমতা পাঁচ হাজার ৬৮ দশমিক ৫ কিলোওয়াট, অর্থাৎ প্রায় ৫ দশমিক ০৭ মেগাওয়াট। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারি ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

সরকারি ভবনের ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করার মাধ্যমে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। সাধারণত সরকারি কার্যালয়গুলোতে কম্পিউটার, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, আলোকসজ্জা, প্রিন্টার, সার্ভার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিয়মিত চালু রাখতে হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোতে প্রশাসনিক কার্যক্রম, ভূমিসেবা, নাগরিক সনদ, বিভিন্ন সরকারি সহায়তা কার্যক্রম এবং স্থানীয় পর্যায়ের দাপ্তরিক কাজ পরিচালিত হয়। এসব কাজ সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন। ফলে ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা গেলে বিদ্যুৎ বিলের একটি অংশ সাশ্রয় করা সম্ভব হতে পারে।

তবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রকৃত সুফল নির্ভর করে স্থাপিত সক্ষমতার পাশাপাশি বাস্তবে কতটা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, উৎপাদিত বিদ্যুতের কত অংশ সরাসরি ব্যবহার করা যাচ্ছে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ কীভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে তার ওপর। সৌর প্যানেলের উৎপাদন আবহাওয়া, সূর্যালোকের তীব্রতা, প্যানেলের পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির কার্যকারিতার ওপর নির্ভর করে। তাই শুধু স্থাপিত সক্ষমতার হিসাব দিয়ে পুরো কর্মসূচির সাফল্য নির্ধারণ করা যায় না। নিয়মিত উৎপাদন তথ্য সংগ্রহ, যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের সঙ্গে উৎপাদনের সমন্বয় নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এই উদ্যোগের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ নেট মিটারিং ব্যবস্থা কার্যকর করা। নেট মিটারিং এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো গ্রাহক নিজস্ব সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারেন। প্রযোজ্য নিয়ম ও হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী, গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণের বিপরীতে বিদ্যুৎ বিল সমন্বয়ের সুযোগ থাকে। দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বেশি হলেও কোনো কোনো কার্যালয়ে সেই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কম থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করা গেলে তা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি কার্যালয়গুলোর অনেক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নেট মিটারিংয়ের অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এখনো চলমান। ফলে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুতের বিপরীতে বিল সমন্বয়ের সুবিধা সব জায়গায় চালু হয়নি। এতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্ভাব্য আর্থিক সুবিধা সীমিত হয়ে পড়ছে। সরকারি অর্থে স্থাপিত অবকাঠামো থেকে সর্বোচ্চ সুফল পেতে হলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার অনুমোদন, মিটার স্থাপন এবং বিল সমন্বয়ের প্রক্রিয়াগুলো সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উদাহরণ এই পরিস্থিতি বোঝাতে গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে ২৪ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের তথ্য অনুযায়ী, কার্যালয়টির মাসিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় পাঁচ হাজার ইউনিট। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর পর প্রতি মাসে প্রায় ৮০০ ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ, সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাওয়া এই বিদ্যুৎ কার্যালয়টির মাসিক চাহিদার একটি অংশ পূরণে সহায়তা করছে। তবে নেট মিটারিংয়ের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকায় অতিরিক্ত বিদ্যুতের বিপরীতে বিল সমন্বয় এখনো শুরু হয়নি।

এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায়, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা গেলেও সেটির সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংযোগ ও অনুমোদন সম্পন্ন না হলে সম্ভাব্য সুবিধার একটি অংশ অপূর্ণ থেকে যেতে পারে। একই সঙ্গে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ, সরাসরি ব্যবহারের হিসাব এবং মাসিক বিলের পরিবর্তন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হলে কর্মসূচির কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। এতে ভবিষ্যতে কোথায় কত সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা প্রয়োজন, সে বিষয়ে পরিকল্পনা করাও সহজ হবে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে কিছু এলাকায় প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতাও দেখা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে দরপত্র আহ্বান করা হলেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গায় বরাদ্দের তুলনায় দরপত্রে প্রস্তাবিত মূল্য বেশি হওয়ায় কাজ এগোয়নি। অন্যদিকে, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ভাড়া ভবনে পরিচালিত হওয়ায় সেখানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন সম্ভব হয়নি।

এসব ঘটনা সরকারি ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। কোনো ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের আগে ভবনটির মালিকানা, ছাদের কাঠামোগত সক্ষমতা, ভবিষ্যৎ ব্যবহার, বিদ্যুৎ চাহিদা এবং বিদ্যুৎ সংযোগের সুযোগ বিবেচনা করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ও বাজারদরের মধ্যে পার্থক্য দেখা দিলে তা পর্যালোচনা করে বাস্তবসম্মতভাবে দরপত্র ও বাজেট নির্ধারণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এসব বিষয় আগেই যাচাই করা গেলে প্রকল্পের বিলম্ব কমানো এবং সরকারি অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সহজ হতে পারে।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলমের মতে, জাতীয় পর্যায়ে এই সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতার অবদান খুব বড় না হলেও সরকারি ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ অন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য দৃষ্টান্ত হতে পারে। তিনি নেট মিটারিংয়ের দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সংযোগ কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞের এই বক্তব্যের তাৎপর্য রয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করলে শুধু বিদ্যুৎ ব্যয় কমানোর সুযোগই তৈরি হয় না, বরং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থাও বাড়তে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, পৌরসভা, বাণিজ্যিক ভবন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ছাদেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। সরকারি দপ্তরগুলো যদি কার্যকর উৎপাদন, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং নেট মিটারিংয়ের সফল উদাহরণ তৈরি করতে পারে, তাহলে বেসরকারি খাতেও এ ধরনের বিনিয়োগ উৎসাহিত হতে পারে।

দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের বৃহত্তর লক্ষ্যেও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ১০ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট আসার কথা ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদ ব্যবহার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ সংযোগের প্রক্রিয়া সহজ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মোট উৎপাদন সক্ষমতা এক হাজার ৯৩৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে সৌরবিদ্যুতের সক্ষমতা এক হাজার ৬৪২ মেগাওয়াট। এই প্রেক্ষাপটে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কার্যালয়ে স্থাপিত প্রায় ৫ দশমিক ০৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা জাতীয় মোট উৎপাদনের তুলনায় সীমিত হলেও সরকারি ভবনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

সৌরবিদ্যুতের প্রসার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ব্যয় ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হতে পারে। তবে এর জন্য শুধু প্যানেল স্থাপন করলেই হবে না; উৎপাদিত বিদ্যুতের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, প্রযুক্তিগত ত্রুটি দ্রুত সমাধান করা এবং অনুমোদনসংক্রান্ত জটিলতা কমানোও জরুরি। সরকারি দপ্তরগুলোর ক্ষেত্রে এসব ব্যবস্থার অগ্রগতি নিয়মিত প্রকাশ করা হলে প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে। একই সঙ্গে কোন কার্যালয়ে কত বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, কতটা সাশ্রয় হচ্ছে এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, তা শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

সব মিলিয়ে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা পাঁচ মেগাওয়াট ছাড়ানো নবায়নযোগ্য জ্বালানির পথে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন স্থাপিত ব্যবস্থাগুলোকে পূর্ণ কার্যকারিতায় নিয়ে আসা এবং নেট মিটারিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা। সরকারি ব্যয়ে নির্মিত এসব ব্যবস্থা থেকে সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করা গেলে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের অবদান বাড়বে। একই সঙ্গে সরকারি ভবনের ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যকর সম্পদে পরিণত করার মাধ্যমে দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জনেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে এই উদ্যোগ

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com