ভারতের স্বার্থ রক্ষায় লিপ্ত বিএনপি: জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার
ভারতের স্বার্থ রক্ষায় লিপ্ত বিএনপি: জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে ভারতের সাথে গোপন সমঝোতা ও নীতিগত অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি বা জাগপা। দলটির নেতাদের দাবি, প্রতিবেশী দেশ ভারতের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি প্রকাশ্যে এবং পরোক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের অভিমত, ভারতের কোলে বসে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধূলিসাৎ করার যে ইতিহাস পতিত আওয়ামী লীগ সরকার রচনা করেছিল, বর্তমান বিএনপির নীতিতেও সেই একই প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমনকি দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত ও সুবিধাবাদী এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নেই যেন নতুন উদ্যমে তৎপর হয়ে উঠেছে বিএনপি, যা দেশের অখণ্ডতা ও জনগণের আত্মমর্যাদার জন্য এক মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মরহুম শফিউল আলম প্রধান মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির উদ্যোগে এক বিশেষ স্মরণসভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জাগপার প্রয়াত সভাপতি অধ্যাপিকা রেহানা প্রধানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। উক্ত শোক ও আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন। তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় দেশের বিদ্যমান শাসনব্যবস্থা ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ভারতের প্রতি তোষণনীতি দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ইকবাল হোসেন সরাসরি অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন যে, গণবিচ্ছিন্ন আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনরায় বহাল ও পুনর্বাসিত করার উদ্দেশ্যে বিএনপির সাথে ভারতীয় নীতিনির্ধারকদের এক ধরনের গোপন চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই ধরনের ভূরাজনৈতিক সমঝোতার কারণেই ইদানীং সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের দৃশ্যমান ও নেপথ্য তৎপরতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের ভেতরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নাশকতামূলক ঘটনা ঘটলে সাধারণ বিরোধী দলগুলোর ওপর অবলীলায় দায় চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের অপকর্ম ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডকে বিএনপি কোনো এক অজানা কারণে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের মতো সম্পূর্ণ উপেক্ষা ও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে।

ভারতের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে জাগপা সাধারণ সম্পাদক বলেন, বন্ধুত্বের নামে প্রতিবেশীর কাছে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করা দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ উভয়েই ক্ষমতার মসনদে থাকা বা যাওয়ার মোহে ভারতকে অন্ধ সুবিধা দিয়ে দাসত্বের রাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছে। এই ধরনের নতজানু অবস্থানের সুযোগ নিয়েই ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারেই কাছে নতুন সামরিক সেনাক্যাম্প ও ঘাঁটি নির্মাণ করার সুযোগ পাচ্ছে। ভারতের ঐতিহাসিক কৌশল তুলে ধরে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য, মেধা শূন্য এবং প্রতিরক্ষা সামরিক শক্তিহীন করার এক গভীর প্রচ্ছন্ন ষড়যন্ত্র পুনরায় কার্যকর করা হচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীন মর্যাদা রক্ষায় তিনি সর্বস্তরের সাধারণ দেশবাসীকে এই দেশবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে জাগ্রত ও সতর্ক থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।

দেশের ঐতিহাসিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করে জাগপা নেতা বলেন, বিগত জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পালাবদলের জন্য হয়নি, বরং বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা রাষ্ট্রীয় বৈষম্য ও অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে হাজারো ছাত্র-জনতা রাজপথে রক্ত দিয়েছে। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, জুলাই-পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দায়িত্বে থাকা শক্তিগুলো সেই গণআকাঙ্ক্ষাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আবারও পুরোনো বৈষম্যমূলক ও অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকেই হাঁটতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও গণদাবি পূরণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে ঐতিহাসিক ‘জুলাই সনদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের জন্য জোর দাবি জানান তিনি। সতর্কবাণী উচ্চারণ করে তিনি আরও বলেন, জনগণের গণদাবি ও চেতনাকে অবমূল্যায়ন করে যদি অগণতান্ত্রিক পথ বেছে নেওয়া হয়, তবে নিজেদের তৈরি করা পতন গর্তেই নিজেদের এক দিন নিশ্চিহ্ন হতে হবে।

রাজধানী ঢাকার পল্টনে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মরহুম শফিউল আলম প্রধান মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির উদ্যোগে এক বিশেষ স্মারক সভা, পবিত্র কোরআন খতম ও দোয়ার মহতি আয়োজন সম্পন্ন হয়। জাগপার সাবেক সভানেত্রী প্রয়াত অধ্যাপিকা রেহানা প্রধানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে এই শোক, স্মারক ও রাজনৈতিক কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছিল। জাগপা ঢাকা মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন। তিনি তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে দেশের সাম্প্রতিকতম রাজনৈতিক সংকট, সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ভারতের ভূমিকা এবং বিএনপির দ্বিচারিতামূলক পররাষ্ট্রনীতির চুলচেরা বিশ্লেষণ পেশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ইকবাল হোসেন সরাসরি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, গণবিরোধী ও গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে দেশের রাজনীতিতে পুনরায় দৃশ্যমান করা এবং সুকৌশলে পুনর্বাসিত করার উদ্দেশ্যে বিএনপির সাথে ভারতীয় সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি গোপন চুক্তি বা সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক চুক্তির প্রত্যক্ষ ফলেই ইদানীং সারা দেশের মাঠপর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক পুনরুত্থান ও আস্ফালন দেখা যাচ্ছে। তিনি অত্যন্ত জোরালোভাবে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেসব নাশকতামূলক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে, সেগুলোর জন্য তড়িঘড়ি করে বিরোধী দলগুলোর ওপর দায় চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ মূল অপরাধী আওয়ামী লীগ চক্রকে সুরক্ষা দিতে বিএনপি সরকার এক রহস্যজনক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভূমিকা পালন করছে এবং সব অপকর্মকে চোখ বন্ধ করে এড়িয়ে যাচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্রনীতি ও সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়ে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে জাগপা সাধারণ সম্পাদক বলেন, বন্ধুত্বের অসার দোহাই দিয়ে প্রতিবেশীর কাছে এমন নতজানু ও গোলামিমূলক নীতি গ্রহণ করা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ভিত্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে। অতীতে আওয়ামী লীগ যেমন ভারতের তোষণ করেছে, বর্তমান বিএনপি সরকারও ক্ষমতার আসন পাকাপোক্ত করার মোহে ভারতের কাছে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিতে দ্বিধা করছে না। এই চরম নতজানু পররাষ্ট্রনীতির সুযোগ নিয়েই ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারেই কোলঘেঁষে নতুন নতুন সেনাক্যাম্প ও কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। ভারতকে অভিযুক্ত করে তিনি সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশকে পুনরায় মেধা শূন্য, অকার্যকর, নেতাশূন্য এবং প্রতিরক্ষা দিক থেকে সম্পূর্ণ শক্তিমুক্ত করার পুরোনো ষড়যন্ত্রে নতুন করে হাওয়া দেওয়া হচ্ছে, যা কোনো সচেতন নাগরিক মেনে নিতে পারে না। এই অশুভ চক্রান্ত রুখতে তিনি দেশবাসীকে তীব্র সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।

দেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের ধারাক্রম উল্লেখ করে অধ্যাপক ইকবাল হোসেন স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিগত জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি দলের পরিবর্তে আরেকটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর উদ্দেশ্যে হয়নি। দেশের লাখো তরুণ, ছাত্র ও সাধারণ জনগণ বৈষম্যমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও সুশাসিত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যেই রক্ত ঝরিয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, জুলাই-পরবর্তী সময়সীমায় ক্ষমতায় আসা বা দায়িত্বে থাকা গোষ্ঠীগুলো জনগণের সেই মহৎ চেতনা ও তাজা রক্তের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে। তারা গণআকাঙ্ক্ষাকে এক পাশে সরিয়ে রেখে পুনরায় সেই পুরোনো অগণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার পথেই হাঁটতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য তিনি অবিলম্বে ঐতিহাসিক ‘জুলাই সনদ’ পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য জোর তাগিদ দেন। একই সাথে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের ক্ষোভকে তুচ্ছজ্ঞান করে নিজেদের আখের গোছাতে গিয়ে যারা অগণতান্ত্রিক গর্ত খুঁড়ছে, পরিণতিতে তাদের নিজেদেরই সেই গর্তে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।

পল্টনের এই আলোচনা ও স্মারক সভায় জাগপার কেন্দ্রীয় এবং অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, প্রবীণ বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সফিকুল ইসলাম, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাবলা, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, পঞ্চগড় জেলা জাগপার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, রংপুর মহানগর জাগপার সভাপতি মাছুম বিল্লাহ এবং যুব জাগপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান বক্তব্য প্রদান করেন। সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ একযোগে অভিমত প্রকাশ করেন যে, স্বাধীনতা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় তারা কোনো আপস করবেন না। জাগপার প্রতিষ্ঠাতা শফিউল আলম প্রধান ও রেহানা প্রধানের ত্যাগ ও দেখানো বিপ্লবের পথ অনুসরণ করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সংগ্রামে দলটি ভবিষ্যতেও রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।

জাগপা ঢাকা মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ দোয়া মাহফিলে দলটির কেন্দ্রীয় ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য প্রদান করেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, প্রবীণ বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সফিকুল ইসলাম, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাবলা, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, পঞ্চগড় জেলা জাগপার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, রংপুর মহানগর জাগপার সভাপতি মাছুম বিল্লাহ এবং যুব জাগপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান। বক্তারা প্রত্যেকেই দেশে অসাম্প্রদায়িকতা, গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্রগঠনের প্রক্রিয়ায় জাগপার প্রতিষ্ঠাতা শফিউল আলম প্রধান ও প্রয়াত রেহানা প্রধানের দেখানো বিপ্লবী পথে আপসহীন সংগ্রাম অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com