সর্বশেষ :
কালীগঞ্জে পুলিশ টহল দলকে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা: এসআই ও পথচারী নিহত কুতুবদিয়ায় জেলেপল্লীতে ভয়াবহ আগুন: পুড়ে ছাই ৩৩ বসতঘর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধী দল ধোঁকাবাজি করেছে: মীর শাহে আলম সৌদির কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ করবে জাপান সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারী লংমার্চ জনগণ মেনে নেবে না: এ্যানি সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রকাশে বিলম্ব: হতাশ বগুড়ার ব্যবসায়ীরা রায়গঞ্জে মার্কেটে ভয়াবহ আগুন: পুড়ল ৭৫ লাখ টাকার মালামাল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির তথ্য তলব: বিস্তারিত জানায়নি রিয়াদ নেত্রকোনার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত শেরপুর: ব্যয় বাড়ছে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা

সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারী লংমার্চ জনগণ মেনে নেবে না: এ্যানি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ বার
সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারী লংমার্চ জনগণ মেনে নেবে না: এ্যানি

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

দেশে চলমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে রাজপথে কর্মসূচির নামে সমাজে কোনো ধরনের গোলযোগ বা অশান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না বলে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। দেশের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না করে এবং রাজপথে উদ্দেশ্যহীন কর্মসূচির পেছনে সময় না ব্যয় করে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার কাজে মনোনিবেশ করার জন্য সকল রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। লক্ষ্মীপুর জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এক রাজনৈতিক পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি এলাকায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নতুন সাংগঠনিক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ্মীপুর জেলা ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর অত্যন্ত সীমিত সময়ের মধ্যেই অর্থাৎ মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে দেশের অর্থনীতিকে পুনর্গঠন এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমুখী কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যখন পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে, তখন একটি বিশেষ মহল সরকারকে প্রশাসনিক কাজে গঠনমূলক সহযোগিতা না করে কিংবা ইতিবাচক বার্তা না দিয়ে রাজপথে একের পর এক বিতর্কিত রোডমার্চ ও লংমার্চের ডাক দিচ্ছে। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের গতি থমকে দেওয়ার অভিপ্রায়ে এসব রোডমার্চ ও লংমার্চ কর্মসূচির নাম দিয়ে সমাজে এক ধরনের অপ্রয়োজনীয় অস্থিতিশীলতা ও অশান্ত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালোনো হচ্ছে।

দেশের অতীত রাজনৈতিক ইতিহাসের করুণ চিত্র তুলে ধরে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গে স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের সাধারণ মানুষ সীমাহীন কষ্ট, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে দিন পার করেছেন। সে সময় কোনো পরিবার তাদের সদস্য ও স্বজনদের নিয়ে শান্তিতে বা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেনি। দীর্ঘদিনের সেই দুসহ ও বিভীষিকাময় অধ্যায় অতিক্রম করে মানুষ যখন একটু স্বাভাবিক জীবনের স্বস্তি ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ খুঁজে পেয়েছে, ঠিক তখনই নতুন করে ধ্বংসাত্মক রোডমার্চ ও লংমার্চের নামে জনগণের শান্তি বিঘ্নিত করার চক্রান্ত রুখে দেওয়া হবে। তিনি স্পষ্টভাষায় জানান যে, দেশের শান্তিকামী সাধারণ জনগণ কোনোভাবেই এই ধরনের জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী লংমার্চ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রোডমার্চ পছন্দ করেন না।

দলীয় কর্মী, সমর্থক ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব কেবল রাজপথে সভা, মিছিল ও মিটিংয়ের মধ্যে নিজেদের কাজকে সীমাবদ্ধ রাখা হতে পারে না। মিছিল-মিটিংয়ের গণ্ডি পেরিয়ে রাজনীতিকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে এবং দেশ গঠনের কাজে নিয়োজিত করতে হবে। রাজনৈতিক কর্মীদের অবশ্যই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, সামাজিক সংস্কারমূলক কাজ এবং ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক কর্মকাণ্ডে নিবিড়ভাবে যুক্ত হতে হবে। তাতেই কেবল রাজনীতির মূল সততা ও আদর্শ বজায় থাকবে এবং সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করা সম্ভব হবে।

সামাজিক ব্যাধি ও যুবসমাজের অবক্ষয় রোধে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনরুল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল পর্যন্ত মাদকের বিস্তার রোধে সবাইকে দলমত নির্বিশেষে সর্বাত্মকভাবে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার নীতিগতভাবে ‘জিরো টলারেন্স’ বা জিরো ছাড় নীতি গ্রহণ করেছে। সমাজে বিশৃঙ্খলা বা অপকর্ম করে শান্তিকামী মানুষের জীবনযাত্রাকে বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে কিংবা মাদকের সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকলে সে যত বড় প্রভাবশালী বা শক্তিশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই হোক না কেন, তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না এবং আইন অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

একই সঙ্গে দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের মধ্যকার ঐক্য ধরে রাখার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যেকোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য ও জাতীয় স্থিতিশীলতায় পৌঁছানোর পথ সহজ নয়, বরং অনেক জটিল ও কঠিন বাধা মোকাবিলা করেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। সেই লক্ষ্য অর্জনে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সর্বাত্মক সহযোগিতার মাধ্যমে দলীয় ও জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা অপরিহার্য। একটি টেকসই শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবং গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ ও সদেরের সীমান্তবর্তী চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী তিতারকান্দি এলাকায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নবগঠিত সাংগঠনিক কমিটির পরিচিতি সভা উপলক্ষ্যে এই বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ও স্থানীয় সর্বস্তরের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ও দায়িত্বশীল সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ে অর্থাৎ মাত্র ছয় মাসের অল্প সময়ের ব্যবধানে দেশের দীর্ঘদিনের বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠন এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী মেগা উদ্যোগের দৃশ্যমান সাফল্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। রাষ্ট্রের সমস্ত অঙ্গ যখন দেশের সার্বিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে, তখন সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান না করে একশ্রেণীর দল ও গোষ্ঠী রাজপথে অপ্রয়োজনীয় লংমার্চ এবং রোডমার্চ কর্মসূচির ডাক দিচ্ছে। সরকারের জনমুখী গতিকে স্তব্ধ করে দেওয়ার অসৎ অভিপ্রায়ে এই ধরণের রোডমার্চ ও লংমার্চের অশুভ নামে সমাজে অসন্তোষ, আতঙ্ক ও অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

দেশের অতীত রাজনৈতিক নিপীড়ন ও মানুষের দুসহ স্মৃতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনে বলেন, বিগত দীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে বাংলাদেশের আপামর সাধারণ জনমানুষ সীমাহীন রাজনৈতিক দুর্ভোগ, মিথ্যা মামলা এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আতঙ্কগ্রস্ত দিন পার করেছেন। স্বৈরাচারী শাসনের সেই দীর্ঘ আঁধার অধ্যায়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের স্বাভাবিক অধিকার নিয়ে জীবনযাপন তো দূরের কথা, কোনো উৎসব-পার্বণেও শান্তিতে সময় কাটাতে পারেননি। দীর্ঘদিনের সেই রক্তক্ষয়ী ও দুসহ পরিস্থিতি পেরিয়ে যখন দেশের জনগণ একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সুবাতাস পেতে শুরু করেছেন, ঠিক তখনই নতুন করে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা এবং অহেতুক লংমার্চ ও রোডমার্চের নাটক সাজিয়ে সাধারণ মানুষের শান্তি বিনষ্টের চক্রান্ত করা হচ্ছে। মন্ত্রী দৃঢ় কণ্ঠে প্রেষণ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের আপামর শান্তিকামী ও মেহনতি মানুষ রাজপথের এই ধরনের জনদুর্ভোগকারী রোডমার্চ ও রাজনৈতিক চক্রান্তের লংমার্চ মোটেও পছন্দ করেন না এবং এর বিরুদ্ধে জনগণই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

দলীয় আদর্শ, শৃঙ্খলা ও কর্মী-সমর্থকদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, একটি আদর্শিক রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ কেবল সারাবছর ধরে রাজপথে মিছিল, স্লোগান ও সভা-সমাবেশ করা হতে পারে না। রাজনৈতিক কর্মীদের ভাবমূর্তি ও কর্মকাণ্ডকে রাজপথের গণ্ডি ছাড়িয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন, এলাকার সামাজিক কল্যাণ, শিক্ষা প্রসার এবং ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে সুদৃঢ়ভাবে যুক্ত করতে হবে। রাজপথের স্লোগানের চেয়ে মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের সুবিধা বঞ্চিতদের সেবায় নিয়োজিত থাকা অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। দলীয় নেতা-কর্মীরা যদি সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়িয়ে সমাজের সুনির্দিষ্ট উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন, তবেই দেশ গঠনের মূল লক্ষ্য সফল হবে এবং সমাজে শান্তি সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

দেশে যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা এবং সামাজিক অপরাধ নির্মূলে বর্তমান সরকারের কঠোর নীতি পুনর্ব্যক্ত করে পানিসম্পদ মন্ত্রী স্পষ্টভাষায় বলেন, দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়া মাদকের বিষাক্ত থাবা রোধে সর্বস্তরের মানুষকে ধর্ম-বর্ণ ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে। মাদকের বিস্তার ও এর সাথে জড়িত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠোর ও জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সমাজে যারা মাদকের বাণিজ্য করে, মাস্তানি কিংবা যেকোনো ধরনের অপকর্মের মাধ্যমে শান্তিকামী মানুষের জীবনে অশান্তি ডেকে আনার দুঃসাহস দেখাবে, সে যত বড় ক্ষমতাধর কিংবা প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয়েরই অধিকারী হোক না কেন, তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। প্রচলিত আইনানুযায়ী অপরাধীদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতেই হবে।

একই সাথে পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে দেশের গণতান্ত্রিক পথচলাকে সুগম করতে নিজেদের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ ঐক্য ধরে রাখার জোর তাগিদ দেন মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, বৈরী পরিবেশ ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কাঙ্ক্ষিত সামাজিক ও জাতীয় লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ কখনোই মসৃণ হয় না। অত্যন্ত ধৈর্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই কঠিন পরিস্থিতি পার হতে হয়। গণতন্ত্রের মূল ভিতকে চিরতরে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হলে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ব্যক্তিগত বিভেদ ভুলে একযোগে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

উক্ত পরিচিতি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বর্ষীয়ান নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নবনির্বাচিত সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি বেলাল হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সাবেরা আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদিকা ফাতেমা আক্তার সুমিসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রবীণ ও তরুণ নেতৃবৃন্দ। সভাটি শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের এক উৎসবমুখর মেলবন্ধনে পরিণত হয়।

উক্ত পরিচিতি সভায় বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নবনির্বাচিত সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি বেলাল হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সাবেরা আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদিকা ফাতেমা আক্তার সুমিসহ জেলা ও উপজেলার অন্যান্য প্রবীণ ও তরুণ নেতৃবৃন্দ। পরিচিতি অনুষ্ঠানটি রূপ নেয় সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের এক মিলনমেলায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com