প্রকাশ: ২১ আগস্ট ‘ ২০২৫। নিজস্ব সংবাদদাতা। একটি বাংলাদেশ অনলাইন
ত্বক আমাদের শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ। সাধারণত কাটা, ঘষা বা অ্যালার্জি-জনিত দাগের ধরন বিভিন্ন রকম হতে পারে। তবে এই দাগগুলো সামনাসামনি পরীক্ষা না করে সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণ করা কঠিন। চিকিৎসকের কাছে সরাসরি দেখা না হলে ত্বকের ক্ষতি দূর করা এবং দাগ কমানো সবসময় সম্ভব নয়।
ডার্মাটোলজিস্টরা মূলত দাগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা প্রণয়ন করেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি দাগটি হাইপারট্রফিক বা কিলয়েড ধরনের হয়, তবে এর জন্য আলাদা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। অন্যদিকে, যদি দাগটি কাটাচের কারণে তৈরি হয় এবং গর্তের মতো গভীর থাকে, যা অ্যাট্রোফিক স্কারস নামে পরিচিত, তবে চিকিৎসার ধরণ সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়।
অ্যালার্জিজনিত দাগের ধরনও অনেক রকম। এর মধ্যে অন্যতম হলো পোস্টইনফ্ল্যামেটরি হাইপারপিগমেন্টেশন, যা ত্বকে কোনো প্রদাহ বা সংক্রমণ সেরে যাওয়ার পর গাঢ় দাগ হিসেবে থেকে যায়। এই দাগও ত্বকের কোন স্তরে অবস্থান করছে তার উপর নির্ভর করে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়। কখনো এটি ক্রিম ব্যবহার করে কমানো যায়, আবার কখনো লেজার থেরাপির মাধ্যমে কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব।
সাধারণ ব্যবস্থার মধ্যে ময়েশ্চারাইজার ও বায়ো অয়েল ব্যবহারের মাধ্যমে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। তবে দীর্ঘমেয়াদী এবং স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে একজন চর্মরোগবিশেষজ্ঞের পরামর্শ অপরিহার্য। ত্বকের প্রতি অবহেলা করলে সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দাগ স্থায়ী হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, যেকোনো ধরনের কাটাচেরা, ঘষা বা অ্যালার্জির দাগের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু করা। এতে দাগ কমানো এবং ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সহজ হয়।