প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২৫ শুক্রবার । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
দারুণ ছন্দে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ফের জাদু দেখালেন। বৃহস্পতিবার রাতে ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে জোড়া গোল করে ইউক্রেনকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফ্রান্সের ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছেন তিনি। ম্যাচের প্রথমার্ধে ইউক্রেনের গোলরক্ষক আনতোলি ট্রুবিন দারুণ পারফরম্যান্স দেখালেও দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসিরা রক্ষণকে ভেঙে দিয়েছিল।
ম্যাচের ৫৩ মিনিটে এমবাপ্পে পেনাল্টি থেকে প্রথম গোলটি জালে পাঠান। ইউক্রেনের খেলোয়াড় মাইকেল ওলিসেকে বাজেভাবে ট্যাকল করায় রেফারি পেনাল্টি দেন, যা এমবাপ্পে নিখুঁত পানেনকা শটে সফলভাবে শেষ করেন। ৭৬ মিনিটে সতীর্থের বাড়ানো বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান মাইকেল ওলিসে। এরপর ম্যাচের ৮৮ মিনিটে এমবাপ্পের সঙ্গে বল বিনিময় করে বদলি হিসেবে মাঠে নামা হুগো একিতিকে গোল করে দলের জয়ের ব্যবধান ৩-০ তে নিয়ে যান।
ম্যাচের শেষ দিকে, ৯৫ মিনিটে এমবাপ্পে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করে ফ্রান্সের জয়ে চূড়ান্ত আকার দেন। এই জয়ে কোচ দিদিয়ের দেশমের নেতৃত্বাধীন দল নিশ্চিত করেছে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের টিকিট। এই ম্যাচের মাধ্যমে এমবাপ্পে পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের ৪০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন, যা তার দুর্দান্ত ফর্মের প্রতিচ্ছবি।
ফ্রান্সের এই জয় কেবল বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করল না, দলকে আত্মবিশ্বাসে ভরিয়ে দিয়েছে। এমবাপ্পের জোড়া গোল এবং সতীর্থদের সমর্থনে ফরাসিরা ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে ইউক্রেনের রক্ষণভাগকে ধ্বংসের মুখে ফেলে। প্রথমার্ধে ট্রুবিনের দুর্দান্ত সেভ ফ্রান্সকে গোলের ব্যবধান বাড়ানো থেকে রক্ষা করলেও দ্বিতীয়ার্ধে ইউক্রেন আর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি।
ম্যাচের সমাপ্তি পর্যন্ত ফ্রান্স দাপুটে খেলায় এগিয়ে থেকে একের পর এক গোল করে দলীয় জয় নিশ্চিত করে। এমবাপ্পের এই জোড়া গোল এবং সতীর্থদের গোল দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে চূড়ান্ত সমন্বয় ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের প্রমাণ দিয়েছে। ফ্রান্সের অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ম্যাচের উত্তেজনা ভাগাভাগি করেছেন এবং এমবাপ্পের অবদানকে বিশেষভাবে স্মরণীয় হিসেবে তুলে ধরেছেন।
বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ফ্রান্সের এই জয় দলকে আত্মবিশ্বাসে ভরিয়ে দিয়েছে এবং আগামী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শক্ত অবস্থান বজায় রাখার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করছে। এমবাপ্পের অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং দলের আক্রমণাত্মক ফুটবল ফ্রান্সকে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যকে আরও দৃঢ় করেছে।