১৩ অক্টোবর ২০২৫। নিজস্ব সংবাদদাতা। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অস্থিরতার পর অবশেষে শুরু হয়েছে গাজায় বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া। বহু আলোচনার পর এই মানবিক উদ্যোগে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে এক আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, হামাস তাদের হাতে থাকা ২০ জন জীবিত ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিচ্ছে, বিনিময়ে ইসরাইল ছেড়ে দিচ্ছে প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে— যাদের অধিকাংশই বহু বছর ধরে কারাগারে আটক ছিলেন।
আজ সোমবার সকালে রেড ক্রিসেন্টের তত্ত্বাবধানে প্রথম ধাপে সাতজন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় আইসিআরসি (আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি) জানিয়েছে, গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে বন্দি ও জিম্মিদের নিরাপদ মুক্তি নিশ্চিত করতে তারা একটি “বহুপর্যায়ের মানবিক অভিযান” শুরু করেছে। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো উভয় পক্ষের বন্দিদের ধীরে ধীরে মুক্তি ও স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।
বন্দি বিনিময়ের এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই গাজা ও ইসরাইল সীমান্তে জড়ো হতে শুরু করেন দুই দেশের মানুষ। গাজা সীমান্তে দেখা গেছে আবেগঘন দৃশ্য— কেউ কাঁদছেন, কেউ প্রার্থনা করছেন, কেউ আবার হাতে ফুল ও ব্যানার নিয়ে অপেক্ষা করছেন প্রিয়জনদের ফেরার আশায়। অনেকে বলছেন, “আমরা জানি না আমাদের সন্তান বেঁচে আছে কি না, তবে এই বিনিময় হয়তো কোনো একদিন আমাদেরও আশার আলো দেখাবে।”