প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জানিয়েছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা প্রতিটি বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। সব বিষয়ই সংবিধান সংশোধন এবং সংবিধান সংস্কারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এছাড়া এই গণভোট ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একযোগে একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান উপদেষ্টার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটের বিষয়গুলো সংবিধান সংশোধনের মূল কাঠামো নির্ধারণ করবে। প্রথম বিষয় হলো জুলাই সনদে বর্ণিত উপায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনপ্রবর্তন। দ্বিতীয় বিষয়ে উল্লেখ আছে, সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন হবে পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতির মাধ্যমে। তৃতীয় বিষয় নারী আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি। চতুর্থ বিষয় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ও রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার পুনর্বন্টন। এবং পঞ্চম বিষয় হলো যে ৩০টি বিষয় সব দল একমত হয়েছে এবং যেগুলো এখনও একমত প্রতিষ্ঠিত হয়নি, সেসব বিষয়ে প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে বাস্তবায়ন।
প্রধান উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেছেন, সংবিধান সংশোধন সম্পূর্ণ করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ১৮০ কার্যদিবস। আর উচ্চকক্ষ গঠন প্রক্রিয়াটি ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। গণভোটের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ এই গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনমূলক প্রস্তাবনার প্রতি সম্মতি বা আপত্তি জানাতে পারবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই গণভোটের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হবে এবং এটি ভবিষ্যতের জাতীয় সরকারের কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভোটারদের প্রত্যেক ভোট দেশের সংবিধান ও সরকারের কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
“একটি বাংলাদেশ অনলাইন” পাঠকদের জন্য সরাসরি তথ্য জানাচ্ছে, যা দেশের সংবিধান সংস্কার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।