প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
জেসিআই বাংলাদেশ ২০২৬ সালের জন্য নতুন জাতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন আরেফিন রাফি আহমেদ। সংগঠনটির বছরের এই নির্বাচনে জাতীয় প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দুই পরিচিত নেতা—আরেফিন রাফি আহমেদ এবং আলতামিশ নাবিল। দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ ও গণনার শেষে আরেফিন রাফি বিজয়ী ঘোষিত হন।
এই নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন লোকাল অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট, ভোটাধিকারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল মেম্বাররা অংশ নেন। ভোটাভুটির ধারা ছিল উত্তেজনাপূর্ণ এবং প্রতিযোগিতামূলক। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীরা ব্যক্তিগত দক্ষতা, নেতৃত্ব গুণাবলী এবং যুব নেতৃত্ব বিকাশে প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ভোট প্রদান করেন।
বিজয় ঘোষণার পর আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, ‘এই বিজয় শুধু আমার নয়। এটি জেসিআই বাংলাদেশের প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি লোকাল অর্গানাইজেশন, এবং যারা আমাকে বিশ্বাস করেছেন—তাদের সম্মিলিত সাফল্য। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে আরও দায়িত্বশীল, আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করেছে। আমি বিশ্বাস করি, ২০২৬ সালে আমরা একসঙ্গে একটি আরও শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও প্রভাবশালী জেসিআই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’
তিনি আরও জানান, তার নেতৃত্বে জেসিআই বাংলাদেশ যুব নেতৃত্ব বিকাশ, উদ্ভাবন, প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়ন এবং একতা ও সম্প্রদায় ভিত্তিক কার্যক্রমকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেবে। আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, তিনি যুবকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই পদে থাকা অবস্থায় জেসিআই বাংলাদেশের প্রভাব এবং কার্যক্রম নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
২০২৬ সালের জন্য এক বছরের মেয়াদে জাতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আরেফিন রাফি জানান, তার নেতৃত্বে সংস্থার প্রতিটি সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখা হবে। তিনি এই এক বছরের মেয়াদকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন যাতে সংগঠনকে আরও প্রভাবশালী, একতাবদ্ধ এবং উদ্ভাবনীভাবে পরিচালিত করা যায়।
সংগঠনটির অন্যান্য সিনিয়র নেতারা বলেন, আরেফিন রাফি আহমেদের নির্বাচিত হওয়া জেসিআই বাংলাদেশের যুব নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। তার নেতৃত্বে যুবকদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশ, সমাজসেবামূলক কার্যক্রম এবং জাতীয় পর্যায়ে জেসিআই বাংলাদেশকে শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
এই নির্বাচনে প্রাপ্ত বিপুল ভোট এবং সমর্থন প্রমাণ করে যে, সংগঠনের সদস্যরা তার নেতৃত্বে বিশ্বাসী এবং তিনি যে কার্যক্রম গ্রহণ করবেন তা সদস্যদের প্রত্যাশা ও স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। নির্বাচনের দিনগুলি ছিল উত্সাহপূর্ণ ও উত্তেজনাপূর্ণ, যেখানে প্রতিটি ভোটার তার মতামত ও সমর্থন প্রকাশ করার মাধ্যমে নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
আরেফিন রাফি আহমেদ নিশ্চিত করেছেন যে, তার নেতৃত্বে জেসিআই বাংলাদেশের কার্যক্রম কেবল দেশীয় স্তরে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংগঠনটির উপস্থিতি এবং পরিচিতি বৃদ্ধি পাবে। তিনি মনে করেন, যুব নেতৃত্ব বিকাশ, সামাজিক উদ্ভাবন এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের যুব সমাজকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
সংগঠনটির সদস্যরা ইতিমধ্যেই নতুন প্রেসিডেন্টের প্রতি আশাবাদী এবং বিশ্বাস করছেন যে, তার নেতৃত্বে জেসিআই বাংলাদেশের কার্যক্রমে নতুন প্রাণ এবং উদ্যম যোগ হবে।