ইউট্যাবের পক্ষ থেকে জিয়াউর ও খালেদার কবর জিয়ারত

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৪ বার
ইউট্যাবের পক্ষ থেকে জিয়াউর ও খালেদার কবর জিয়ারত

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কবর জিয়ারত, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং ফাতেহা পাঠ করেছেন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। শুক্রবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যান তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। দোয়া পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ করে ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মাতা, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় ঐক্যের প্রতীক ও আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে আল্লাহর ডাকে চলে গেছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি এমন একজন নেতা, যিনি এদেশের জন্য তার সবকিছু হারিয়েছেন। স্বামী, সন্তান ও বাড়ি হারিয়েছেন, পাঁচবার জেলে ছিলেন এবং চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত ছিলেন। ডাক্তাররা বলেছিলেন, দেশের বাইরে চিকিৎসা না করালে জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। এরপরও তিনি বাংলাদেশের বাইরে কোথাও যাননি। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের বাইরে আমার এক ইঞ্চি জমি নেই, এক ইঞ্চি মাটি নেই। এ দেশের মাটিই আমার জায়গা, এদেশের মানুষই আমার সন্তান।’ এমন একজন দেশপ্রেমিক নেত্রীকে হারানো বাংলাদেশের জন্য বড় ক্ষতি।”

ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্রের লড়াই এবং মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। আপসহীন নেত্রী হিসেবে তিনি পরিচিত। আজ তিনি বাংলাদেশের জনগণের জন্য এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন, কিন্তু বাংলাদেশের গণতন্ত্র ফিরে আসা দেখতে পারেননি। আমরা আশা করি আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করবেন এবং তার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে এবং ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদের উত্থান হবে না।”

ইউট্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান বলেন, “ইউট্যাব ২০১২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে অনুমোদন করেছেন। তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী একটি শিক্ষক সংগঠন হওয়া প্রয়োজন। আমাদের দলে নানা মতের লোক থাকা সত্ত্বেও এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা হয়। এরপর থেকে ইউট্যাবের যাত্রা শুরু হয়।”

তিনি আরও বলেন, “বড় বড় আন্দোলনের সময় ম্যাডামের নেতৃত্বে ইউট্যাব তাঁর পাশে ছিল। ম্যাডামের ত্যাগের ক্ষতিপূরণ আর কেউ দিতে পারবে না। গণতন্ত্রের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন। এই সংগ্রামের বিনিময়ে আমরা গণতন্ত্র অর্জনের পথে এগিয়েছি। সামনে নির্বাচন—we চাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিজয়ী হয়ে দেশ সেবার সুযোগ পাক।”

কবর জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন ইউট্যাবের কোষাধ্যক্ষ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার, ঢাবি সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, ড. নূরুল ইসলাম, ড. আব্দুর রশীদ, ড. আব্দুল করিম, ড. কামরুল আহসান, ড. সোহাগ আওয়াল, ড. নজরুল ইসলাম, ড. শামছুল আলম, ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ড. ইলিয়াস, শফিউল্লাহ, ড. আখতার হোসেন খান, ড. সিরাজুল ইসলাম, শাহ শামীম আহমেদ, তাহমিনা আখতার টফি, ড. আব্দুস সালাম, ড. মোঃ জাফরুল আজম, ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, ড. জাহাঙ্গীর হোসেন, ড. খালেদউজ্জামা, ড. আতাউর রহমান, ড. জিএম শফিউর রহমান, ড. মো. কুদরত-ই-জাহান, ড. মোহা. হাছানাত আলী, মিনহাজুল আবেদীন, ড. রবিউল ইসলাম, ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, ড. মামুন অর রশিদ, ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ড. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, ড. মেহেদী হাসান সিকদার, ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ, ড. নুরুল আমিন, ড. আব্দুল লতিফ, ড. মোহাম্মদ জামশেদ আলম, ড. এফ এম আমিনুজ্জামান, ড. কাজী আহসান হাবীব, ড. আব্দুল্লাহেল বাকী, ড. রাশেদুল ইসলাম, ড. নূর মহল আখতার বানু, ড. জাহাঙ্গীর আলম, ড. মাহবুবুল আলম, ড. রঞ্জন রায়, ড. তোজাম্মেল হোসাইন, ড. ইদ্রিস আলী, ড. আবু জাফর খান, ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ড. খায়রুল ইসলাম, ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, আনিছুর রহমান, তানভীর আহসান, খাঁন মনোয়ারুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ ইকবাল, ড. সালমা আখতার, ড. মাসুমা হাবিব, নাছির আহমেদ, শওকত আলী, মোস্তাফিজুর রহমান, ড. মুহ. রাশেদুল ইসলাম, ড. রবিউল ইসলাম, নওশের ওয়ানসহ শতাধিক শিক্ষক।

এ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষকরা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অবদান রাখা নেত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রের মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত