ভয়েস প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রগতি ক্লোনিংয়ে ডিজিটাল ধোঁকা

একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৩ বার

প্রকাশ:১৪ জুলাই ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক।একটি বাংলাদেশ অনলাইন

যুগের পর যুগ আমরা চোখে দেখা আর কানে শোনা তথ্যকেই সত্যের মাপকাঠি ভেবেছি। অথচ প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রগতি সেই সহজ বিশ্বাসটাকেই আজ তীব্র প্রশ্নের মুখে ফেলেছে

“কারণ যার কণ্ঠস্বর শুনছি, তিনি হয়তো কথাই বলেননি; যার মুখমণ্ডল দেখছি, সেই মানুষটি হয়তো সেখানে আদৌ নেই।”

“ডিপফেইক ও ভয়েস ক্লোনিং এমন প্রযুক্তি, যা ডিপ লার্নিং অ্যালগরিদমের সাহায্যে কারও মুখ ও কণ্ঠস্বর অবিকল নকল করে ফেলতে পারে।”এরপরই তৈরি হচ্ছে এমন সব ভিডিও, যেখানে কোনো ব্যক্তি না থেকেও তিনি অপরাধ করছেন, কথা বলছেন কিংবা নীতিগত বিতর্কের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন।”

“গ্লোবাল সাইবার বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০২৪-২৫ সালের মধ্যেই বিশ্বের অন্তত ৯০ শতাংশ ডিজিটাল কনটেন্ট কোনো না কোনোভাবে সম্পাদিত বা সিনথেটিক হয়ে যাবে, যা সত্য আর মিথ্যার সীমানা আরও ঝাপসা করে তুলবে।”

“বাংলাদেশেও এরই মধ্যে বাস্তব প্রমাণ মিলছে। কখনো প্রেমের ফাঁদ পেতে প্রতারণা, কখনো নকল কণ্ঠে আত্মীয়-পরিজনের ছদ্মবেশে টাকা হাতিয়ে নেওয়া—এসব ঘটছে নীরবে। ভুক্তভোগীরা অনেকে লজ্জায় মুখ খোলেন না, আবার অনেকেই জানতেও পারেন না যে তারা এমন ভয়াল প্রযুক্তির শিকার।”

“প্রযুক্তি আমাদের হাতের মুঠোয় বিপদও বয়ে আনে, আবার সঠিক ব্যবহার ও সচেতনতার মাধ্যমে সেটিকেই প্রতিরোধের হাতিয়ারও বানানো যায়। তাই সচেতনতা, শিক্ষার বিস্তার ও মিডিয়া লিটারেসি এই সময়ে সবচেয়ে জরুরি অস্ত্র।”

“সত্য আর মিথ্যার সীমারেখা যতই ঝাপসা হোক, সচেতনতার আলোতেই ফিরিয়ে আনতে হবে মানুষের বিশ্বাস—এটি শুধু প্রয়োজন নয়, সময়ের দাবিও।”

একটি বাংলাদেশ অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত