প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
আজ শনিবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৫ সালের এই দিনে কোকো হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
কোকো ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত। এছাড়া তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর জীবনে রাজনীতি ও খেলাধুলা দুটোই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করেছিল।
২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে কোকো তাঁর মাতৃবাড়ি থেকে মা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেফতার হন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার জন্য তিনি সপরিবারে ব্যাংকক যান। চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া চলে যান এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই স্ত্রী শর্মিলা রহমান ও দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে নিয়ে বসবাস করেন।
আজ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। সকালেই বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে কোকোর কবর জিয়ারত করেন। দুপুর ২টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুস সালাম কবর জিয়ারত করবেন।
এছাড়া বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, সকাল ১১টায় নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয়, মহানগর ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। বিকেল ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আরও একটি দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।
কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থান থেকে অংশগ্রহণ করছেন। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ আজও দলের সদস্যদের মধ্যে প্রেরণা হিসেবে কাজ করে।