বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণচাষীর ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের অঙ্গীকার

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৯ বার
### বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণচাষীর ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের অঙ্গীকার প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন। দেশের উপকূলীয় জনপদে লবণচাষের সঙ্গে যুক্ত লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও আর্থিক অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি প্রচারণায় নেমে তিনি বলেছেন, লবণচাষীদের ঘামঝরা শ্রমের প্রকৃত মূল্য না পাওয়ার যে বাস্তবতা আজ বিদ্যমান, বিএনপি সরকারে গেলে তা আর থাকবে না। বৃহস্পতিবার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যৌথ উদ্যোগে মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঠে জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন বয়সী মানুষ—লবণচাষী, কৃষক, শ্রমজীবী, ব্যবসায়ী ও তরুণ ভোটাররা। জনসভা পরিণত হয় একটি গণসমাবেশে, যেখানে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার বাস্তব সংকট উঠে আসে রাজনৈতিক বক্তব্যের কেন্দ্রে। সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, “ঢাকায় একজন ভোক্তা যখন এক কেজি লবণ ৪০ টাকা দিয়ে কিনে খান, তখন কক্সবাজারের লবণচাষী তার উৎপাদিত লবণের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকাও পান না। এই বৈষম্য শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটি সামাজিক অবিচারেরও প্রতীক।” তিনি বলেন, লবণচাষীরা দেশের খাদ্য ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তারা সবচেয়ে বেশি অবহেলার শিকার। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে লবণচাষীরা ন্যায্য মূল্য পেয়েছিলেন এবং সেই সময় লবণ আমদানির সিদ্ধান্তে দেশীয় চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তার ভাষায়, “দরিদ্র লবণচাষীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে বিএনপি অতীতেও সংগ্রাম করেছে, বাস্তবায়নও করেছে।” বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণে লবণ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশীয় বাজারে। এতে লবণের দাম পড়ে যায় এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন স্থানীয় চাষীরা। পরে বিএনপির পক্ষ থেকে আমদানি বন্ধের দাবি জানানো হলে সরকার তা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। এর ফলে ধীরে ধীরে বাজারে লবণের দাম বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণচাষীদের জন্য একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, উৎপাদন ব্যয়, শ্রমের মূল্য এবং বাজার ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে চাষীদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি চাষীদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি তিনি আদর্শিক অবস্থানও তুলে ধরেন। বলেন, “বিএনপির অপর নাম গণতন্ত্র, আর গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি।” তার দাবি, দলটি কেবল ক্ষমতার রাজনীতি নয়, বরং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নিয়ে এগোচ্ছে। বিএনপি ভবিষ্যতে দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চায়, তা জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দারিদ্র্য বিমোচনের প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষ প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে। তার মতে, এটি শুধু সহায়তা নয়, বরং দারিদ্র্য দূর করে মানুষের আত্মমর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার একটি কার্যকর উদ্যোগ হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দেশের মানুষের জন্য কোনো সুস্পষ্ট অর্থনৈতিক বা সামাজিক পরিকল্পনা নেই। জনসভায় স্থানীয় বিএনপি নেতারাও বক্তব্য দেন এবং সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, পেকুয়া ও চকরিয়ার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। লবণচাষ, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল এই অঞ্চলের মানুষের বাস্তব সমস্যা সমাধানে একটি জনবান্ধব সরকার প্রয়োজন, যা বিএনপিই দিতে পারে বলে তারা মনে করেন। সভায় বক্তব্য দেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম. বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ চৌধুরী রাজু, কক্সবাজার জেলা ওলামাদলের সভাপতি আলী হাসান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জেড এম মুসলেম উদ্দিন, মহিলা দলের সভানেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জিনু, মগনামা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফয়সাল চৌধুরী, উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম মিন্টু এবং পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট। তারা সবাই আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এর আগে একই দিন সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ও রাজাখালী ইউনিয়নে ধানের শীষের সমর্থনে পৃথক নির্বাচনি পথসভায় বক্তব্য দেন। এসব পথসভায় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন। সন্ধ্যার পর রাত ৮টার দিকে তিনি পেকুয়া আলহাজ কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সেখানে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাজার পরিস্থিতি, ক্রয়ক্ষমতা ও ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা নেন এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সব সভা ও সমাবেশে তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তার বক্তব্যে বারবার ফিরে আসে একটি বিষয়—লবণচাষী, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। **প্রস্তাবিত সংবাদ বিভাগ:** Politics / Bangladesh **SEO Suggest Focus Keyphrase:** লবণচাষীর ন্যায্য মূল্য বিএনপি **5 word SEO title:** বিএনপি ক্ষমতায় লবণচাষীর ন্যায্য মূল্য **Meta Description (140–145 চরিত্র):** বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণচাষীদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে বলে কক্সবাজারে নির্বাচনি জনসভায় ঘোষণা দেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

দেশের উপকূলীয় জনপদে লবণচাষের সঙ্গে যুক্ত লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও আর্থিক অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি প্রচারণায় নেমে তিনি বলেছেন, লবণচাষীদের ঘামঝরা শ্রমের প্রকৃত মূল্য না পাওয়ার যে বাস্তবতা আজ বিদ্যমান, বিএনপি সরকারে গেলে তা আর থাকবে না।

বৃহস্পতিবার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যৌথ উদ্যোগে মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঠে জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন বয়সী মানুষ—লবণচাষী, কৃষক, শ্রমজীবী, ব্যবসায়ী ও তরুণ ভোটাররা। জনসভা পরিণত হয় একটি গণসমাবেশে, যেখানে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার বাস্তব সংকট উঠে আসে রাজনৈতিক বক্তব্যের কেন্দ্রে।

সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, “ঢাকায় একজন ভোক্তা যখন এক কেজি লবণ ৪০ টাকা দিয়ে কিনে খান, তখন কক্সবাজারের লবণচাষী তার উৎপাদিত লবণের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকাও পান না। এই বৈষম্য শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটি সামাজিক অবিচারেরও প্রতীক।” তিনি বলেন, লবণচাষীরা দেশের খাদ্য ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তারা সবচেয়ে বেশি অবহেলার শিকার।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে লবণচাষীরা ন্যায্য মূল্য পেয়েছিলেন এবং সেই সময় লবণ আমদানির সিদ্ধান্তে দেশীয় চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তার ভাষায়, “দরিদ্র লবণচাষীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে বিএনপি অতীতেও সংগ্রাম করেছে, বাস্তবায়নও করেছে।” বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণে লবণ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশীয় বাজারে। এতে লবণের দাম পড়ে যায় এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন স্থানীয় চাষীরা। পরে বিএনপির পক্ষ থেকে আমদানি বন্ধের দাবি জানানো হলে সরকার তা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। এর ফলে ধীরে ধীরে বাজারে লবণের দাম বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণচাষীদের জন্য একটি টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, উৎপাদন ব্যয়, শ্রমের মূল্য এবং বাজার ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে চাষীদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি চাষীদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি তিনি আদর্শিক অবস্থানও তুলে ধরেন। বলেন, “বিএনপির অপর নাম গণতন্ত্র, আর গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি।” তার দাবি, দলটি কেবল ক্ষমতার রাজনীতি নয়, বরং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা নিয়ে এগোচ্ছে। বিএনপি ভবিষ্যতে দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চায়, তা জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দারিদ্র্য বিমোচনের প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষ প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে। তার মতে, এটি শুধু সহায়তা নয়, বরং দারিদ্র্য দূর করে মানুষের আত্মমর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার একটি কার্যকর উদ্যোগ হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দেশের মানুষের জন্য কোনো সুস্পষ্ট অর্থনৈতিক বা সামাজিক পরিকল্পনা নেই।

জনসভায় স্থানীয় বিএনপি নেতারাও বক্তব্য দেন এবং সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, পেকুয়া ও চকরিয়ার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। লবণচাষ, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল এই অঞ্চলের মানুষের বাস্তব সমস্যা সমাধানে একটি জনবান্ধব সরকার প্রয়োজন, যা বিএনপিই দিতে পারে বলে তারা মনে করেন।

সভায় বক্তব্য দেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম. বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন, পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ চৌধুরী রাজু, কক্সবাজার জেলা ওলামাদলের সভাপতি আলী হাসান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জেড এম মুসলেম উদ্দিন, মহিলা দলের সভানেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জিনু, মগনামা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফয়সাল চৌধুরী, উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম মিন্টু এবং পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট। তারা সবাই আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে একই দিন সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ও রাজাখালী ইউনিয়নে ধানের শীষের সমর্থনে পৃথক নির্বাচনি পথসভায় বক্তব্য দেন। এসব পথসভায় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন। সন্ধ্যার পর রাত ৮টার দিকে তিনি পেকুয়া আলহাজ কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সেখানে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাজার পরিস্থিতি, ক্রয়ক্ষমতা ও ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা নেন এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

সব সভা ও সমাবেশে তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তার বক্তব্যে বারবার ফিরে আসে একটি বিষয়—লবণচাষী, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত