উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর পুনর্বন্টন সম্পন্ন

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৫ বার
উপদেষ্টা প্রতিমন্ত্রী দপ্তর পুনর্বণ্টন

প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

সরকারের দুই উপদেষ্টা ও আট প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বন্টন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলামকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্য প্রজ্ঞাপনে রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। মো. শরিফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং হাবিবুর রশিদকে রেলপথ ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মো. রাজীব আহসান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। ফারজানা শারমিনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মো. নুরুল হক নুরকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই পুনর্বণ্টন সরকারের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মন্ত্রণালয় ও প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন দেশের নীতি ও পরিকল্পনাকে আরও সুসংহত করতে সহায়ক হবে। তারা বলেন, নতুন দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট খাতের নীতি বাস্তবায়নে বিশেষ মনোযোগ দেবেন। কৃষি, শিল্প, বস্ত্র, মৎস্য, রেলপথ, সড়ক, নৌপরিবহন, সেতু, পরিকল্পনা, সমাজকল্যাণ, প্রবাসী কল্যাণ এবং প্রাথমিক শিক্ষা—সব ক্ষেত্রেই নতুন উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীরা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করবেন।

সরকারের এই পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীরা সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারবেন। এছাড়া জনসেবা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও নীতি নির্ধারণে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আরও সুসংগঠিত হবে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই নতুন দপ্তর পুনর্বণ্টন প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও সরকারের নীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এবারের দপ্তর পুনর্বণ্টন মূলত সরকারের কাঠামোগত সংস্কার এবং বিভিন্ন খাতের কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপ। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, দায়িত্বের স্বচ্ছতা, নীতি বাস্তবায়ন এবং জনগণের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছানো—সবই এই পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত