প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য Mirza Abbas উন্নত চিকিৎসার জন্য রোববার (১৫ মার্চ) সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে বহন করা হয়েছে। তার একান্ত সহকারী Mizanur Rahman Sohel জানান, বেলা ১১টা ১৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি রওনা হয়।
মির্জা আব্বাসকে চার ঘণ্টা পথ পাড়ি দিয়ে সিঙ্গাপুরে পৌঁছে স্থানীয় জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। তার সঙ্গে আছেন সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস, ছেলে ইয়াসীর আব্বাস এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক জাফর ইকবাল। আগে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় পৌঁছেছিল।
এর আগে গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। পৌনে চার ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর তিনি রাতেই আইসিইউতে স্থানান্তরিত হন। এ অস্ত্রোপচারের পূর্বে গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারানোর কারণে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর নিউরো বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।
বেসরকারি হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা আশ্বাস দিয়েছেন, সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল করা সম্ভব হবে। দেশে এবং দেশের বাইরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল থেকে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া ও শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে।
মির্জা আব্বাসের সুস্থতা নিয়ে পরিবার এবং রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ বিরাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার কারণে জটিলতা এড়ানো সম্ভব এবং রোগীর পুনরুদ্ধারে সহায়তা মিলবে।
চিকিৎসা ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক রেফারেল বিশেষ ক্ষেত্রে জরুরি সিদ্ধান্ত হিসেবে নেওয়া হয়, যেখানে স্থানীয় চিকিৎসা সুবিধা সীমিত বা জটিল অবস্থার কারণে উন্নত মেডিকেল সাপোর্ট প্রয়োজন। মির্জা আব্বাসের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে, এবং সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল থেকে তার সুস্থতার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক সমর্থন ও সহানুভূতির প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। পরিবার এবং চিকিৎসকরা আশা করছেন, আন্তর্জাতিক চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে এবং তিনি শিগগিরই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।