ঢাকা-১৭ আসনে তারেকের নির্বাচনি ব্যয় ২৩ লাখ

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ২ বার
চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রকাশঃ ৩১ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনি ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনি ব্যয়ের রিটার্ন অনুযায়ী, তার নির্বাচনি প্রচারণায় মোট ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা।

নির্বাচন কমিশনের রিটার্নে ব্যয়ের বিভিন্ন খাত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণার জন্য ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, নির্বাচনি জনসভা আয়োজন ও স্থানীয় প্রচারণার জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনি ক্যাম্প পরিচালনার জন্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। প্রার্থীর এজেন্ট এবং অন্যান্য স্টাফদের খরচে সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার জন্য ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা বা যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। এভাবে প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় আইন অনুযায়ী সীমার মধ্যে রয়েছে।

আইন অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুযায়ী নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। এতে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয় এবং প্রার্থীদের আর্থিক দায়বদ্ধতা রক্ষা করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারসংখ্যা ও নির্বাচনি ব্যয়ের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে প্রার্থীর জন্য সঠিকভাবে বাজেট নির্ধারণে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এই তথ্য দেশের রাজনৈতিক জগতে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল নির্বাচনি প্রচারণার উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও নির্বাচনি ইতিহাসে ভোট ও ব্যয়ের সম্পর্ক সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের সঠিক হিসাব দাখিল করা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সহায়ক। এর মাধ্যমে ভোটাররা প্রার্থীর আর্থিক সক্ষমতা এবং নির্বাচনি প্রচারণার কার্যকারিতা সম্পর্কে সচেতন থাকে।

ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি ব্যয়ের বিশদ তথ্য প্রকাশের ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রার্থীর নির্বাচনি কৌশল, প্রচার বাজেট এবং জনসেবা সংক্রান্ত কার্যক্রমের মূল্যায়ন করতে পারবেন। এছাড়া এটি আগামী নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয় পরিকল্পনা ও কৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।

নির্বাচন কমিশনের রিটার্নে প্রকাশিত এই তথ্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভোটার, নির্বাচন পর্যবেক্ষক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে সক্ষম হবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত