প্রকাশ: ২২শে জুন, ২০২৫ | একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
ইরানের ফোর্দো, নাতানজ ও এসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম “ট্রুথ সোশ্যাল”-এ এক পোস্টে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ দেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই হামলা “অত্যন্ত সফল” হয়েছে এবং সমস্ত মার্কিন বিমান ইরানের আকাশসীমা থেকে নিরাপদে ফিরে গেছে।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থল—ফোরদো, নাতানজ ও এসফাহানে—আমাদের অত্যন্ত সফল হামলা সম্পন্ন হয়েছে। সব বিমান এখন ইরানের আকাশসীমার বাইরে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটা অত্যন্ত পরিণতি নির্ধারণকারী বিষয়। হয় পশ্চিমা একাধিপত্য শেষ হয়ে যাবে, নাহয় নতুন যুগের সূচনা হবে।”
এই হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান সরকার এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের জটিল পরিস্থিতিতে এই হামলা নতুন করে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে তীব্র মতবিরোধ চলছে। এই হামলাকে সেই উত্তেজনারই একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের জনগণ ও নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিবৃতি দিতে শুরু করেছেন। অনেকেই এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে এর নিন্দা জানিয়েছেন।
এই সংকটের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাসীর কাছে শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সকল পক্ষকে সংযত ও সংযমী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
একটি বাংলাদেশ অনলাইন বিশ্বাসযোগ্য, নিরপেক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ঘটনার যেকোনো নতুন উন্নয়ন আমাদের পাঠকদের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।