১০ বছরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তৌহিদ আফ্রিদি

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫০ বার
১০ বছরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তৌহিদ আফ্রিদি

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি গত এক দশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছেন। ২০১৫ সালে ইউটিউবে পথচলা শুরু করা এই তরুণ, পরের বছর নিয়মিত ভিডিও পোস্ট করা শুরু করেন। মাত্র এক বছরের মধ্যে পরিচিতি বেড়ে গেলে তিনি দেশের শীর্ষ ইউটিউবার হিসেবে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। বর্তমানে তার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ৬৩ লাখ ছাড়িয়েছে।

অফলাইন ও অনলাইন উভয় ক্ষেত্রেই আফ্রিদি বিভিন্ন বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছেন। দীর্ঘ ১০ বছরের ক্যারিয়ারে তাকে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় নিয়ে আসা ঘটনা পাঁচটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথমত, তার বন্ধুত্ব বা প্রেম সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মিডিয়ায় চলা আলোচনা। আফ্রিদি এবং মডেল ও চিত্রনায়িকা দীঘি একসঙ্গে আড্ডা দেওয়ার ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানান ধরণের কৌতূহল সৃষ্টি হয়। দীঘি অবশ্য সব সময়ই বিষয়টি বন্ধুত্ব হিসেবে স্পষ্ট করেছেন।

দ্বিতীয়ত, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ছবির নায়ক দেবের সাক্ষাৎকার। আফ্রিদি ভারতের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে দেবের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তার গল্প তুলে এনেছেন। ভিডিওতে আফ্রিদি দেবকে ‘মামা’ বলে সম্বোধন করেন এবং তাদের সম্পর্কের আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে কোটি দর্শক দেখেছেন।

তৃতীয়ত, তার ইউটিউব চ্যানেলের দ্রুত জনপ্রিয়তা। ২০১৫ সালে শূন্য থেকে শুরু করে এক বছরের মধ্যে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে যায়। দুই বছরের মধ্যে তা পৌঁছে যায় ১০ লাখে। এভাবে আফ্রিদি দেশের তরুণদের মধ্যে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যায় শীর্ষে উঠে আসেন।

চতুর্থত, তার বিয়ের বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়। তৌহিদ আফ্রিদি রিসা নামের তরুণীকে বিয়ে করেন, তবে অনেকে ভুলবশত রাইসাকে তার স্ত্রী ধরে নেন। এর ফলে রিসা সামাজিক মাধ্যমে বুলিংয়ের শিকার হন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আফ্রিদি স্পষ্ট করেছেন বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি ছাড়া আর কিছু নয়।

পঞ্চমত, কোটা আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনের সময় আফ্রিদির ভূমিকা। দেশজুড়ে নৃশংস ঘটনা ঘটলেও সে সময় তিনি নীরব ছিলেন। পরে সামাজিক মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সহমর্মিতার বার্তা দিয়ে আবারও আলোচনায় আসেন।

তৌহিদ আফ্রিদির এই দশ বছরের ক্যারিয়ার প্রমাণ করে, তিনি শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েটর নন, বরং সামাজিক প্রেক্ষাপটে তার প্রভাবশালী উপস্থিতি দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সমর্থ। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, বন্ধুত্ব, ইউটিউব ভিডিও এবং সামাজিক বিষয়ে পদক্ষেপ সব মিলিয়ে তাকে দেশের যুব সমাজে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত