জামালপুরে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫১ বার
জামালপুরে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

জামালপুরে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এ পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে কুটুক্তির অভিযোগে দায়ের করা মানহানি মামলার প্রেক্ষিতে।

সোমবার দুপুরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী আমলী আদালতে বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা আক্তার ডা. মুরাদ হাসানসহ দুইজন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, তথ্য প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন এক ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজের টক-শোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ডা. মুরাদ হাসান।

বাদী পক্ষের দাবি, এই অসৎ উদ্দেশ্যপূর্ণ, মিথ্যাচার এবং কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের ফলে জিয়া পরিবারের দশ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেন জামালপুর জেলা ট্রাক ও ট্যাঙ্কলারী মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা লায়ন মো. রুমেল সরকার। মামলায় ডা. মুরাদ হাসান ছাড়াও টক-শোর উপস্থাপক চট্টগ্রামের পটিয়া পৌর এলাকার এটিএম আবুল কাশেমের ছেলে মহি উদ্দিন হেলাল নাহিদকে আসামি করা হয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, গত ২৪ মে সরিষাবাড়ী আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুকসানা পারভীন মানহানি মামলাটি আমলে নিয়ে ডা. মুরাদ হাসান ও মহি উদ্দিন হেলালের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিলেন। কিন্তু আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন না করে তারা আদালতে হাজির হননি। এ কারণে সোমবার আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এই ঘটনায় স্থানীয়রা বলছেন, উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালতের পদক্ষেপ গুরুত্বপুর্ণ। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া দেশের আইনের শাসন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে ধরা যেতে পারে।

জামালপুরের আদালত ও পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মামলার তদন্ত এবং প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও আইনানুগভাবে পরিচালনা করার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত