১ লাখ সেনা ও দেড় লাখ পুলিশ ভোটরক্ষা করবে: ইসি সচিব

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮ বার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় ভোটের মাঠে সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনা সদস্য, দেড় লাখ পুলিশ সদস্য এবং প্রায় সাড়ে ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ভোটের আগে এবং পরে মোট ৮ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেনি। নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে ইসির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে চারজন নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তােরা নির্বাচনী নিরাপত্তা ও ভোট কেন্দ্রে সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। ইসি সচিব বলেন, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই, ভোটাররা নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত।” তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনা, পুলিশ ও আনসারের সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কমান্ড এবং জেলা পর্যায়ে সমন্বয় কার্যক্রম কার্যকর করা হবে। ভোটের আগে এবং নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। আখতার আহমেদ আরও বলেন, নির্বাচনের মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি শুধু ভোটরদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে না, বরং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ নিরসনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রস্তুতি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটের নিরাপত্তা, পরিবেশ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে সব ধরণের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রাখবে। নির্বাচনের সময় জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও দৃঢ় হবে। তবে নির্বাচন কমিশন জানায়, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করলেও ভোটারদের সচেতন অংশগ্রহণ ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা সমানভাবে জরুরি। এজন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় অপরিহার্য। নির্বাচন কমিশনের এই প্রস্তুতি এমন সময় এসেছে যখন দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে ভোটের নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেনা ও পুলিশসহ আনসার সদস্যদের মোতায়েন, নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন আশা করছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন। নির্বাচনের প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পৃক্ততা এবং ভোটের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করবে এবং ভোটের মাঠে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫ | নিজস্ব সংবাদদাতা | একটি বাংলাদেশ অনলাইন 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় ভোটের মাঠে সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনা সদস্য, দেড় লাখ পুলিশ সদস্য এবং প্রায় সাড়ে ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ভোটের আগে এবং পরে মোট ৮ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেনি।

নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে ইসির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে চারজন নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তােরা নির্বাচনী নিরাপত্তা ও ভোট কেন্দ্রে সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

ইসি সচিব বলেন, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই, ভোটাররা নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত।” তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনা, পুলিশ ও আনসারের সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কমান্ড এবং জেলা পর্যায়ে সমন্বয় কার্যক্রম কার্যকর করা হবে। ভোটের আগে এবং নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে।

আখতার আহমেদ আরও বলেন, নির্বাচনের মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি শুধু ভোটরদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে না, বরং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ নিরসনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রস্তুতি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটের নিরাপত্তা, পরিবেশ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে সব ধরণের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রাখবে। নির্বাচনের সময় জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও দৃঢ় হবে।

তবে নির্বাচন কমিশন জানায়, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করলেও ভোটারদের সচেতন অংশগ্রহণ ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা সমানভাবে জরুরি। এজন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় অপরিহার্য।

নির্বাচন কমিশনের এই প্রস্তুতি এমন সময় এসেছে যখন দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে ভোটের নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সেনা ও পুলিশসহ আনসার সদস্যদের মোতায়েন, নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন আশা করছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারবেন।

নির্বাচনের প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পৃক্ততা এবং ভোটের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করবে এবং ভোটের মাঠে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত