ছুটিতে শত শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত—কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তব চিত্র

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৯ বার
ছুটিতে শত শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত—কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তব চিত্র

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ · নিজস্ব সংবাদদাতা,  একটি বাংলাদেশ অনলাইন

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণ ও বিজ্ঞান–প্রযুক্তি ও মানবিক শিক্ষার সমন্বয়ের প্রতিশ্রুতি নিয়ে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় একসাথে যাত্রা শুরু করলেও, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী দিক থেকে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় এখন চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)–র অবস্থা শিক্ষাক্ষেত্রে আজ একটি দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)–এর সাম্প্রতিক বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী, শিক্ষকসংখ্যায়, অনুষদ এবং বিভাগের পরিসরে কুবি–সহ একাধিক “নতুন” বিশ্ববিদ্যালয় পিছিয়ে পড়ছে। গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থী বৃদ্ধি, বিভাগ বৃদ্ধি সত্ত্বেও শিক্ষক নিয়োগ ও অনুপাত নিশ্চিত করতে পারছে না। এই ব্যতিরেকে উচ্চশিক্ষার গুণমান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্ধিত সক্ষমতায় ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

২০০৬–২০০৮ সালের দিকে উচ্চশিক্ষার উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণে একাধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়) ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একই প্রজন্মেই যাত্রা শুরু করলেও, এদের মধ্যে কুবি নিম্নমাত্রায় অবস্থান করছে।

ভারতে পালানোর পথে ‘আজিজুল ইসলাম আজিজ’ : শামীম ওসমানের সহযোগী গ্রেপ্তার

ইউজিসি-র ৫০তম বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শিক্ষকসংখ্যার দিক থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ৪র্থ, নোবিপ্রবি ১২তম ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ১৮তম অবস্থানে রয়েছে। জগন্নাথে ৬৮০ জন শিক্ষক, নোবিপ্রবিতে ৪১৫ জন ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৯৩ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষ ২০-র তালিকার তলানিতে রয়েছে।

কুবি-র অবস্থার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভাগ ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনায় শিক্ষকসংখ্যার পরিমাণ অনেক কম থাকা, শিক্ষক–শিক্ষার্থী অনুপাত আন্তর্জাতিক মান থেকে অনেক পিছিয়ে থাকা এবং নিয়মানুবর্তিতায় ঘাটতি।

উদাহরণস্বরূপ, কুবি মাত্র ৭টি বিভাগ ও ৩০০ শিক্ষার্থী ও ১৫ জন শিক্ষক নিয়ে ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করেছিল। বর্তমানে সেখানে রয়েছে ৬টি অনুষদের অধীনে ১৯টি বিভাগ, ৬ হাজার ৮৮৮ শিক্ষার্থী ও ২৮০ জন শিক্ষক। তবে ইউজিসি-র তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালের হিসাবে সেখানে শিক্ষকসংখ্যা দাঁড়ায় ২৬৬ জন, যার মধ্যে ৯৮ জন বিভিন্ন ছুটিতে রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আদর্শ শিক্ষক–শিক্ষার্থী অনুপাত সাধারণত ১:২০ ধরা হয়। কিন্তু কুবি-তে এই অনুপাত প্রায় ১:৩৮। অর্থাৎ প্রতি এক জন শিক্ষক প্রায় ৩৮ জন শিক্ষার্থীর জন্য দায়িত্বশীল। পাশাপাশি, সবচেয়ে খারাপ রয়েছে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে—২৭১ শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র ৪ জন শিক্ষক (অনুপাত ১:৬৮) ও ফার্মেসি বিভাগে ২২৮ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৫ জন শিক্ষক (১:৪৬)।

নিয়ম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষকের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ছুটিতে থাকতে পারেন না। কিন্তু কুবি-তে ২৮০ জন শিক্ষকের মধ্যে ৯৮ জন (৩৪.৮৮ শতাংশ) বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন—যা নিয়মানুবর্তিতার দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্বেগের।

শিক্ষকসংখ্যার ঘাটতি, নিয়োগ-প্রক্রিয়ার ধীরগতি এবং বিভাগ সম্প্রসারণ দিয়ে দ্রুত শিক্ষার্থী নেওয়া—এই বিষয়গুলো মিলিয়ে দেখা যায় কুবি-র ক্ষেত্রে একাধিক সংকটময় উপাদান রয়েছে।

প্রথমত, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দ্রুত বিভাগ ও শিক্ষার্থী বৃদ্ধি করতে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে যথাযথ ত্বরণ সম্ভব হয়নি। রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, একাধিক বিভাগের শিক্ষক বিভিন্ন ধরনের ছুটিতে রয়েছেন: উদাহরণস্বরূপ, সিএসই বিভাগের ৯ জন, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিভাগের ৮ জন করে, পরিসংখ্যান, ফার্মেসি ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৭ জন করে, ইংরেজি ও অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ৬ জন করে, বাংলা, লোকপ্রশাসন ও আইসিটি বিভাগের ৪ জন করে, অর্থনীতি ও মার্কেটিং বিভাগের ৩ জন করে, এবং ফিন্যান্স, ব্যবস্থাপনা ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ২ জন করে শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন।

দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছতে হলে কেবল শিক্ষকসংখ্যা বাড়লেই হবে না — শিক্ষক-গুণগতমান, গবেষণা সক্ষমতা, সক্রিয়তা, নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষার্থী-নির্ভর পরিবেশ নিশ্চিত করাও সময়সাপেক্ষ। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশে শিক্ষক–শিক্ষার্থী অনুপাত নিয়ন্ত্রণ না হলে উচ্চশিক্ষার গুণগতমান রক্ষা করা কঠিন হবে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২১ সালের ইউজিসি-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ১৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৩৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:২০ এর বেশি ছিল—যা আদর্শের তুলনায় অনেক বেশি।

তৃতীয়ত, ছুটি বা বিভিন্ন কারণে অনুপস্থিতি বেশ বড় সমস্যা। কুবি-র ক্ষেত্রে দেখা গেছে অনেক শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন—শিক্ষক-সংখ্যা হিসাবের ক্ষেত্রে একই সময়ে কার্যকর শিক্ষক সংখ্যা আরও কম। ফলে বিভাগগুলোর নিয়মিত পাঠদান ও এক-একটি বিভাগের জন্য বরাদ্দ শিক্ষকদের সংখ্যা প্রভাবিত হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, অনেক বিভাগে পাঠদান ও সমন্বিত সময়সূচি ঠিকমতো হচ্ছেনা। নিয়মিত শিক্ষক না থাকায় বিকল্পভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা নিয়েছে বলে হলেও কার্যকরভাবে সেই পরিকল্পনা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে কিনা সন্দেহ রয়েছে।

একাডেমিক কর্মীরা উল্লেখ করেছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুনত্ব এবং দ্রুত সম্প্রসারণ আলোচনায় থাকলেও বাস্তবে শিক্ষক-সংখ্যা ও অনুপাত ঠিকভাবে না হলে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা যায় না।” বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভাগ সম্প্রসারণ করতে হলে শিক্ষক নিয়োগ ও অবকাঠামোসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ভারসাম্য রাখতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত নিয়ে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাগুলো দেখলে স্পষ্ট হয়—উচ্চশিক্ষায় সাধারণত এক শিক্ষক প্রতি ১৫-২০ শিক্ষার্থীকে নির্দেশিকা হিসেবে ধরা হয়। বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই নীতি অনুসরণ হয়নি বা কঠোরভাবে প্রয়োগ হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এক-একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি এক শিক্ষককে প্রায় ৬৭ শিক্ষার্থী পড়ছেন — যা গুণগত শিক্ষার জন্য বহুল উদ্বেগের বিষয়।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত নিয়ন্ত্রণ না হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ভরযোগ্য ও উচ্চমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হবে। পাশাপাশি, গবেষণার পরিবেশ, শিক্ষা-নতুন ধারা, পাঠদান এবং পাঠক্রম আধুনিকায়ন—all এসব ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়বে।

কুবি-র উন্নয়নের জন্য যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে, সেগুলো হলো: প্রথমত, নতুন শিক্ষকদের দ্রুত নিয়োগ এবং বিভাগ অনুযায়ী পাঠদান সম্ভব করার জন্য পদ সৃষ্টিকারী এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ হায়দার আলী নিজেও বলেছেন– “শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত আন্তর্জাতিক মানে আনার লক্ষ্যে ইউজিসির সঙ্গে আলোচনা চলছে। শিগগিরই নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে, এতে দীর্ঘদিনের সংকট কিছুটা হলেও দূর হবে।”

দ্বিতীয়ত, ছাত্রসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং বিভাগের সক্ষমতা অনুযায়ী ভর্তি বাড়ানো জরুরি। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এবং কম সংখ্যক শিক্ষক এক-একটি বিভাগে পড়লে শুধু অনুপাত খারাপ হয় না, পাঠদান ও আলোচ্য বিষয়েও গুণগত ক্ষতি হয়।

তৃতীয়ত, বিভাগ ও অনুষদের সক্রিয়তা বাড়াতে হবে। যেমন- প্রকৌশল অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ও কলা অনুষদের প্রতিটি বিভাগের উন্নয়ন ও পাঠদান সুনিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিভাগীয় পাঠদান নিরীক্ষণ, শিক্ষার্থীদের মতামত জানা, পাঠক্রমের আপডেট রাখা ও অবকাঠামো উন্নয়নের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

চতুর্থত, নিয়মিত উপস্থিতি এবং কার্যকর শিক্ষক-বিচ্ছিন্নতা (ছুটি, ডেপুটেশন ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। শিক্ষক যখন দীর্ঘ সময় ছুটিতে থাকেন, সেই বিভাগের পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ কমে যায়। নিয়মিত শিক্ষকের অনুপস্থিতি হয় শ্রেণিকক্ষের কার্যকরী যোগাযোগ ও শিক্ষণপ্রক্রিয়ায় বড় বাধা।

দেশের উচ্চশিক্ষার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারের পর্যায়ে করণীয় বিষয় রয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-র সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আবারও উঠে এসেছে শিক্ষক-সংখ্যা, অনুপাত ও মান-নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বেশ খানিকটা উদ্বেগজনক চিত্র। উদাহরণস্বরূপ, এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৪৪ শতাংশ শিক্ষকই রয়েছে যারা উচ্চতর ডিগ্রি (PhD/MPhil) অধিকার করেননি। এছাড়া, ২০২১ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে ১৭টি সরকারিভাবে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:২০ এর বেশি ছিল।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা প্রয়োজন যে, দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষণযোগ্য অবকাঠামো সৃষ্টিতে মনোযোগ দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ালেও যদি শিক্ষকসংখ্যা ও গুণগত মান বাড়ে না, তাহলে উচ্চশিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য–মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণা সক্ষমতা ও সামাজিক উৎকর্ষ–সে বাধাগ্রস্ত হবে।

সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি সামিরা ও ডনের খোঁজ মিলছে না

কুবি-র বর্তমান অবস্থা শুধু এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা নয়– এটি বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি সংকেত হতে পারে। শিক্ষকসংখ্যা ও শেখানোর সক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক–শিক্ষার্থী অনুপাত নিয়ন্ত্রণ, বিভাগ ও অনুষদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত ভাবে কাজ করা সবার জন্য জরুরি। যত দ্রুত এই বিষয়গুলো ঠিকভাবে সমাধান করা যাবে, তত দ্রুত সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের প্রতিশ্রুতিশীল ভূমিকা পালন করতে পারবে।

কুবি-র উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক-শিক্ষকরাও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, বর্তমান সংকট মোকাবেলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে শুধু আশা নয়- সবচেয়ে জরুরি হলো বাস্তব কর্মসূচি ও সময় সাপেক্ষ উন্নয়ন। শিক্ষার্থীরা, শিক্ষক-শিক্ষকরাও একসঙ্গে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করলে, কুবি-সহ দেশের নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা ও গবেষণায় নিয়মতান্ত্রিক শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

আমরা ভবিষ্যতে দেখব- কিভাবে কুবি এই নিয়মিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে যাবে আর দেশের উচ্চশিক্ষার মানের উন্নয়ন ঘুরে দাঁড়াবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত