প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৫ | একটি বাংলাদেশ ডেস্ক | একটি বাংলাদেশ অনলাইন
রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো জাতি আজ শোকে স্তব্ধ। দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী এবং বিমান বাহিনীর একজন কর্মকর্তা হতাহত হয়েছেন। এই দুঃখজনক ঘটনার পরপরই প্রধান উপদেষ্টা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজেআই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিমানসেনা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্যান্যদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এটি জাতির জন্য একটি গভীর বেদনার ক্ষণ। যারা এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং উদ্ধারকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।”
প্রধান উপদেষ্টা আশ্বাস দিয়েছেন, সরকার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করবে। এদিকে দুর্ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, এবং বিমান বাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের সমন্বয়ে চলছে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম।
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার আকাশে উড্ডয়ন করা বিমানটি shortly নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনে বিধ্বস্ত হয়। বিকট বিস্ফোরণের পর ভবনে আগুন ধরে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যেই ঘটে যায় এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়।
সামরিক ও বেসামরিক সকল মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে—এই ধরণের প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা প্রটোকল কি যথাযথ ছিল? সেই প্রশ্নের উত্তর সময় দেবে। তবে এখন সময় একসঙ্গে শোক ভাগাভাগি করার, আহতদের পাশে দাঁড়ানোর, এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের পথে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধ নতুনভাবে ঝালিয়ে নেওয়ার।