প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
একটি বাংলাদেশ অনলাইন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রায় এক লাখ সেনা সদস্য, দেড় লাখ পুলিশ সদস্য এবং সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় লাখ আনসার সদস্য মাঠে নিয়োজিত থাকবেন।
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। আখতার আহমেদ বলেন, “অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে মোতায়েন করা হবে। ভোটের আগে ও পরে মোট আট দিন তারা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।”
তিনি আরও জানান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়নি। বরং তারা কমিশনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখেছেন এবং নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।
বৈঠকে জানানো হয়, মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনী মূলত সহায়ক বাহিনী হিসেবে কাজ করবে। নির্বাচনের দিন তারা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবে। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা ভোটকেন্দ্র এবং আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ভোট প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এটি ছিল কমিশনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চারজন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, সেনা, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
ইসি সচিব আরও বলেন, “নির্বাচনের সময় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত। জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে পরিবেশ সৃষ্টিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কমিশনের এ প্রস্তুতি আসন্ন নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তবে ভোটের সময় নিরপেক্ষতা ও প্রশাসনিক তৎপরতা বজায় রাখাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।









