ভারত ‘এ’ দলের অধিনায়ক জিতেশ শর্মা ব্যাখ্যা করলেন সেই প্রশ্ন—সুপার ওভারে কেন নামানো হয়নি সূর্যবংশী বা ওপেনার প্রিয়াংশ আর্যকে। তার মতে, এই দু’জন পাওয়ার-প্লের খেলোয়াড়; দ্রুত রান তুলতে পারলেও চাপের মুহূর্তে সুপার ওভারের মতো ডেথ ওভার পরিস্থিতিতে তাদের ততটা কার্যকর মনে হয়নি। তাই আশুতোষ শর্মা ও রমনদীপ সিংকে নিয়ে পরিকল্পনা সাজান তিনি।
জিতেশ বলেন, “বৈভব আর প্রিয়াংশ পাওয়ার প্লেতে দারুণ। কিন্তু ডেথ ওভারে আমি, আশু আর রমন মারমুখী খেলে চাপ সামলাতে পারি। তাই সুপার ওভারের তিন ব্যাটারের সিদ্ধান্তটা দলগতভাবেই নেওয়া হয়েছিল।”
কিন্তু সেই পরিকল্পনা মাঠে কোনোভাবেই কাজে লাগেনি। শুক্রবার বাংলাদেশের বিপক্ষে নির্ধারিত ওভার শেষে ম্যাচ টাই হলে সুপার ওভারে ব্যাট করতে আসেন জিতেশ ও রমনদীপ। বাংলাদেশের রিপন মণ্ডল প্রথম বলেই জিতেশকে বোল্ড করেন। পরের বলেই ক্যাচ তুলে দেন আশুতোষ। রিপনের পরপর দুটি নিখুঁত ইয়র্কারে ভারতের ইনিংস থমকে যায় দুই বলেই। নিয়ম অনুযায়ী দুটি উইকেট পড়লে আর ব্যাটিং চালানো যায় না, ফলে বাকি চার বল খেলার সুযোগই পেল না ভারত।
মাত্র ১ রানের সহজ লক্ষ্য নিয়ে নিশ্চিত করে জয়, আর সেই সঙ্গে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের ফাইনালের টিকিট পায় বাংলাদেশ।