ঈদুল ফিতরে এবার সাত দিনের সরকারি ছুটি

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৩ বার
ঈদুল ফিতরে এবার সাত দিনের সরকারি ছুটি

প্রকাশ: ০৫ মার্চ  ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবার কার্যত সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এবার ঈদের আগে ও পরে মোট ছুটি মিলিয়ে সাত দিন কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণের জন্য বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল, যা ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ মার্চও ছুটি হওয়ায় কার্যত ঈদের আগে ছুটি চার দিন হবে। কারণ ১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদরের ছুটি হওয়ার কথা। এর ফলে ঈদের দিন ২১ মার্চ এবং পরের দুই দিন মিলিয়ে এবার মোট সাত দিনের ছুটি হবে। অর্থাৎ ১৮ থেকে ২৩ মার্চ নাগাদ সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সংস্থার অধিকাংশ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটি মানুষের সঙ্গে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের মিলন এবং সামাজিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার সুযোগ দেয়। ছুটি থাকায় কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদ উৎসবের আয়োজন করতে পারবেন। এর পাশাপাশি পর্যটন ও ভ্রমণ খাতেও গতিশীলতা বৃদ্ধি পেতে পারে, কারণ মানুষ বড় শহর থেকে গ্রামের বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।

সরকারি ছুটির ঘোষণা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময়ও প্রদান করে। বিভিন্ন অফিস, ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এ সময়ে তাদের কাজের পরিকল্পনা সামঞ্জস্য করতে পারবে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও শিক্ষার্থীদের জন্য ছুটির ব্যবস্থাপনা করতে সক্ষম হবে।

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘোষণা ব্যাপকভাবে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং পরিবার ও ঘরের বড়দের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনা শেয়ার করেছেন। ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটি পেয়ে তারা গ্রামীণ ও পর্যটন এলাকা ভ্রমণে সুবিধা পাবেন।

সরকারি ছুটির সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষ আনন্দে মেতেছেন। এ ছুটি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও বৃদ্ধি পাবে, যা সামাজিক সংহতি ও সংস্কৃতিকে আরও দৃঢ় করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত