প্রকাশ: ১৭ জুলাই’ ২০২৫ । নিজস্ব প্রতিবেদক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন
বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘ইমেজ নষ্ট করা’ নিয়ে অপপ্রচারের কোনো স্থান নেই ও যুক্তিহীন, যা চালু রাখা নিরস্ত্র ও বোকার কাজ ছাড়া কিছুই নয়। ওই অপপ্রচারের উদ্দেশ্যকে তিনি উদ্ভট কাল্পনিক কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেন, যা বিএনপির বিরুদ্ধে রবিশেষভাবে তাদের ভাবমূর্তি নষ্টের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
১৬ জুলাই বিকেলে লক্ষ্মীপুরের টুমচর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনের সময় সাংবাদিকদের সামনে আবুল খায়ের ভূঁইয়া বলেন, “মৌলবাদী কিংবা সুবিধাবাদী সংগঠন এক কাল্পনিক কাহিনি গড়ে তারেক রহমানকে অপমান করতে পারে না; দেশের জনগণ তাদের আর পেছনে যায় না।” তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করেই বলেন, “তারা বিশ্বাস করে না, যারা স্বাধীনতা সংগ্রামে জয় না পেয়ে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে বা যুদ্ধাপরাধীদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তারা এখন জিয়া পরিবারের নামে অপপ্রচার করলে জনগণ সহ্য করবে না।”
তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে যারা মারাত্মক ভুল করেছে তারা বিএনপির ভাবমূর্তি ম্লান করতে চেষ্ঠা চালাচ্ছে। কিন্তু জনগণ সচেতন, সেজন্য বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারেও ছিলেন সফল নন, বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় বক্তৃতায় তিনি বলেন, “৭১-এর স্বাধিকার চেয়েছিলেন, ৯০ ও ২০০১ সালের গণঅভ্যুত্থানে জনগণ দুভাগে ভাগ হয়নি।” তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান উদাহরণ তুলে বলেন, “বৃটিশ–মধ্যপ্রাচ্য–আমেরিকার ছাপ ছাড়িয়ে আপনাদের মধ্যে আছে জাগ্রত দল। নির্যাতন–মামলায় দুর্নীতিতে আমরা প্রতিহত হয়েছে, তবু আজও তোমাদের পাশে আছে জনগণ।”
আবুল খায়ের ভূঁইয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানান,চলমান বিশৃঙ্খলার পূর্বে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনসহ সরকারি প্রশাসনকে সহযোগিতা করার। কারণ, তিনি বলেন, “জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে ভবিষ্যতে কার পক্ষে আছে।”
টুমচর আসাদ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যেমন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকন ও জেলা কৃষক দলের সভাপতি মাহবুব আলম মামুন।
সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রেখে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে, বক্তা পুনরায় সরকারের প্রতি দ্রুত ‘নির্বাচনী রোডম্যাপ’ ঘোষণা করার আহ্বান জানান।