সর্বশেষ :
কেনিয়ায় ভয়াবহ বৃষ্টি-বন্যা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪২ যশোরে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রশিক্ষণ বিমানের জরুরি অবতরণ লেবাননে হামলায় সাদা ফসফরাস ব্যবহারের প্রমাণ: এইচআরডব্লিউ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিরাপত্তা ও সামরিক দক্ষতায় মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন নেতা সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় টাঙ্গাইলের মোশাররফ নিহত ঈদে নতুন নোট নেই, খোলা বাজারে দাম দাড়িয়েছে আকাশছোঁয়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিদ্যুৎ-জ্বালানি বাজারে প্রভাব ছড়াচ্ছে হাদি হত্যার আসল খুনি নিয়ে প্রকাশ্যে সালাহউদ্দিন আম্মার মত আজ থেকে বন্ধ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬ বার
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ৯ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

সোমবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাক্ষাৎটি সকালেই সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। দুই পক্ষের আলোচনায় বেপজার কর্মকাণ্ড, রফতানি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি এবং দেশের অর্থনীতিতে এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তৃত কথোপকথন হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এমন সময় হয়েছে, যখন বাংলাদেশ রফতানি বাজার সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতে নতুন নীতি প্রবর্তনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন এই সাক্ষাতে দেশের রফতানি খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নতুন শিল্প বিনিয়োগ এবং বিদেশি বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় প্রযুক্তি উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নতি এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণের বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে বেপজার কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং রফতানি খাতকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান ও নীতি সমন্বয় অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা শুধু দেশের শিল্প উন্নয়নের ক্ষেত্র নয়, এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে দেশের সংযোগেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

সাক্ষাতে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই দিক নির্দেশনা আমাদের কাজকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করবে। আমরা দেশে রফতানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা দেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করবে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, দুই পক্ষ ভবিষ্যতে রফতানি খাতে আরও বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকেও আলোচনা করেছেন। বিশেষ করে নারীদের শ্রমিক অংশগ্রহণ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নয়ন, এবং স্থানীয় উৎপাদন ও রফতানিকে সমন্বিত করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও সক্রিয় করার সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই সৌজন্য সাক্ষাৎকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী এবং বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যানের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময় দেশের রফতানি খাতের অগ্রগতি, নীতি বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। এছাড়া এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকার এবং শিল্পখাতের মধ্যে আরও দৃঢ় সম্পর্কের সূচনা হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, দেশের রফতানি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এই পদক্ষেপ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ও দেশের শিল্পখাতকে আরও সক্ষম ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। পাশাপাশি, বেপজা কর্মকর্তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তারা দেশের রফতানি খাতকে আরও আধুনিক, টেকসই এবং আন্তর্জাতিক মানসম্মত করতে কাজ চালিয়ে যাবে।

সংক্ষেপে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের রফতানি খাতের অগ্রগতি, শিল্প উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দুই পক্ষের আলোচনায় শিল্প, রফতানি ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগে সমন্বয় নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এই সাক্ষাৎ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এক নতুন প্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত