ঝিনাইদহে বাসে অগ্নিসংযোগে ২ ছাত্রনেতা রিমান্ডে

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪ বার
ঝিনাইদহ বাস অগ্নিসংযোগ মামলা

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

ঝিনাইদহে বাসে অগ্নিসংযোগের মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই নেতাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। একই মামলায় অপর পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মোখলেছুর রহমান এ আদেশ দেন। কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে একটি বাসে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ূন কবীর এবং ‘দ্য রেড জুলাই’-এর জেলা কমিটির আহ্বায়ক আবু হাসনাত তানাইমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানির পর আদালত তাদের প্রত্যেকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অন্যদিকে, সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আন্দোলনের জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাইদুর রহমান, সদস্যসচিব আশিকুর রহমান জীবন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাশদীদ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক এজাজ হোসেন অন্তর এবং নেতা রাসেল হোসাইনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত ওই আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের সবাইকে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এই ঘটনায় ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং কোনও অতিরিক্ত সংঘর্ষ বা অশান্তি রোধে তৎপর রয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত আছে এবং সম্পূর্ণ তথ্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

স্থানীয়রা জানান, বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয় এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হলেও, এই ধরনের ঘটনা জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের এই ধরনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্ত ও বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন, যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সতর্ক বার্তা পৌঁছানো যায়।

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। আদালতের রিমান্ড ও কারাগারে পাঠানোর আদেশ কার্যকর হলে তদন্ত আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জনগণও চাইছেন, এই ঘটনার নেপথ্য থাকা দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত