প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা । একটি বাংলাদেশ অনলাইন
দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স এবং প্রযুক্তি পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা দেশের ৮০০’রও বেশি কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ডধারী পরিবারকে দুই কোটি টাকারও বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। এই মহৎ উদ্যোগের অংশ হিসেবে মৃত সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকের পরিবারের সমুদয় বকেয়া কিস্তির টাকা মওকুফও করা হয়েছে, যা প্রায় দুই কোটি টাকার সমান।
ওয়ালটন প্লাজার কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষানীতির আওতায় দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারীদের জন্য এই সুরক্ষা কার্ড প্রদান করা হয়। নীতি অনুযায়ী, কিস্তিতে থাকা গ্রাহক মৃত্যুবরণ করলে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত এবং পরিবারের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে ২৫ হাজার থেকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট পণ্যের অনাদায়ী কিস্তির টাকা মওকুফ করা হয়।
ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান বলেন, “শুধু ব্যবসায়িক মুনাফা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য নয়। গ্রাহকদের জন্য দায়িত্বশীলতা আমাদের নৈতিক কর্তব্য। ক্রেতাদের প্রতি আস্থা বাড়ানো, গ্রাহক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।” তিনি আরও জানান, মৃত কিস্তি কার্ডধারীর পরিবারের জন্য নগদ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি যোগ্যতাসম্পন্ন সদস্যদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ওয়ালটন প্লাজার এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন গ্রাহক পরিবারকে উপকৃত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র আর্থিক সহায়তা প্রদানেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; দেশের স্বনামধন্য হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জীবন বীমা, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সেবা এবং মূল্যছাড়সহ সুবিধা নিশ্চিত করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হচ্ছে কিস্তি ক্রেতাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করা এবং তাদের খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য খাতে নিরাপত্তা ও সুবিধা প্রদান করা। এই সুরক্ষা নীতি দেশের ইলেকট্রনিক্স খাতে এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে স্থান করছে এবং ধীরে ধীরে এর আওতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
ওয়ালটন প্লাজার এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবসায়িক সুনামের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার দিকেও একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে, যা সাধারণ গ্রাহক পরিবারগুলোর মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।