বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও মেঘনায় উদ্ধার ৭৫০ লাশ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৬ বার
বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও মেঘনায় উদ্ধার ৭৫০ লাশ

২৬ আগস্ট ২০২৫|  নিজস্ব সংবাদদাতা| একটি বাংলাদেশ অনলাইন

ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে দুই প্রাপ্তবয়স্ক এবং দুই শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজন যুবকের সঙ্গে যুবতীর হাত বাঁধা ছিল, আর তাদের বয়স যথাক্রমে ৩৫ ও ৩০ বছর। এছাড়া নদীর কাছাকাছি একই স্থানে গলায় বোরকা ও ওড়না দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় একটি নারী ও শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। নৌ-পুলিশ জানিয়েছেন, মরদেহগুলো কয়েকদিন আগে মারা গেছে এবং পচনের কারণে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ও তদন্তকারীদের মতে, ঢাকা ও আশেপাশের নদীগুলো হত্যার পরে লাশ গুম করার স্থান হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। অপরাধীরা অনেক সময় লাশ বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়, যা স্রোতের কারণে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ভেসে যায়। নদীতে পড়ে মরদেহের চেহারা বিকৃত ও পচে যাওয়ায় আইনি ও মেডিকেল প্রক্রিয়ায় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নৌ-পুলিশ এবং থানা পুলিশের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, প্রযুক্তি ব্যবহার ও নদীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানোর মাধ্যমে এই ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। নৌ-পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি কুসুম দেওয়ান বলেছেন, যেখানে শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, সেখানে হত্যা মামলা করা হয়; অন্যথায় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে নদীতে পাওয়া অধিকাংশ লাশ অনেকদিন আগে ফেলা হওয়ায় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

গত তিন বছরে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা ও মেঘনা নদী থেকে ৭৫০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে অনেকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে, বাকি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত