মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান: গ্রেপ্তার ১১, বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫০ বার
মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান: গ্রেপ্তার ১১, বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৫। নিজস্ব সংবাদদাতা।একটি বাংলাদেশ অনলাইন

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে মঙ্গলবার দুপুরে সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা বিভাগের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গোয়েন্দা কর্মীর ওপর হামলায় জড়িতসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলের অবস্থান শনাক্ত ও তাকে গ্রেপ্তার করা। দুপুরের দিকে ক্যাম্পে গোয়েন্দা কার্যক্রম চলাকালে সোহেল ও তার সহযোগীরা এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার ওপর হামলা চালায়। আহত কর্মকর্তা গুরুতর আহত অবস্থায় দ্রুত সেনা টহল দ্বারা উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

প্রাথমিক অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আটটার দিকে দ্বিতীয় দফায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অভিযানে আরও ৫,৬৬০ পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম গাঁজা, তিনটি সামুরাই ছুরি, দুটি চাপাতি, মাদক বিক্রির নগদ ৪৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয় এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মাদক ব্যবসায়ীরা মিঠুন (৩২), ইমরান (২৫), বাবু (২৮) এবং মিজানুর রহমান (৩১)। আর গোয়েন্দা কর্মকর্তার উপর হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত হয়েছে সুজন (২৬), দিপু (২৭), সাকিব (২২), রবিন (২৬), মাসুম (২৬), রমজান (১৬) এবং শেখ গোলাম জেলানি (৬৮)।

মোহাম্মদপুরের সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন কর্মকর্তা জানান, “বুনিয়া সোহেলকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যেই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি পালিয়ে যান। আটক ১১ জনের মধ্যে চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং হামলাকারী সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মোহাম্মদপুর থানায় পাঠানো হবে।”

এ অভিযানকে রাজধানীর নিরাপত্তা এবং অরাজকতা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের তৎপরতা কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন। অভিযানের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে সাময়িক প্রশান্তি ফিরে এসেছে, যদিও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক থাকতে এবং তদারকি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত