প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ।একটি বাংলাদেশ ডেস্ক। একটি বাংলাদেশ অনলাইন
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাৎ করেছেন। প্রথমে তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেন।
এদিকে রোববার সেনাপ্রধান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রধান বিচারপতির গুলশানের বাসায় অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে নিশ্চিত করেছে আমার দেশ। অনুসন্ধান reveals, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান মূলত পিলখানা ট্র্যাজেডি এবং গুমের তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমের আইনি দিকগুলো সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত ২৭ আগস্ট চীন সফর শেষে দেশে ফেরেন। তার আগে ২০ আগস্ট সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশে রওনা দেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২২ আগস্ট চীনে পৌঁছালে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এরপর তিনি চীনের স্থল বাহিনীর Political Commissar জেনারেল চেন হুই-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাতকালে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের প্রত্যাবর্তনে সহায়তা প্রদানের বিষয় এবং বাংলাদেশের সামরিক শিল্পের উন্নয়নে চীনের সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরণের বৈঠকগুলি দেশের সামরিক ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ কার্যক্রম দেশের সামরিক নীতিমালা ও আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি প্রমাণস্বরূপ।
আইএসপিআর সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে এসব সাক্ষাৎ দেশের নিরাপত্তা, আইনি প্রক্রিয়া এবং সামরিক কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলো আরও সুসংগঠিতভাবে বাস্তবায়নের দিকে গুরুত্বারোপ করে।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের এই কার্যক্রম সামরিক কৌশল, প্রশাসনিক সমন্বয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করছে।