প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৫ । নিজস্ব সংবাদদাতা । একটি বাংলাদেশ অনলাইন
আজ বিকেল তিনটার মধ্যে শিক্ষকদের দাবি পূরণ না হলে চারটায় সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন ।
মঙ্গলবার দুপুরে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’-এর সদস্য সচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষকদের তিনটি মূল দাবি রয়েছে। প্রথমত, মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, যা ন্যূনতম তিন হাজার টাকা হতে হবে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য চিকিৎসা ভাতা দেড় হাজার টাকা করা এবং তৃতীয়ত, কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ করা। এই তিনটি দাবির বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রথমে আজ বেলা ১২টায় সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চের পরিকল্পনা ছিল। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর অনুরোধে আন্দোলনকারীরা সরকারকে সময় দিতে লংমার্চ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন। শিক্ষকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সরকার তাদের দাবিগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করবে এবং সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বারবার জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই বেতন ও ভাতার সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছেন। তাদের এই আন্দোলন শুধুমাত্র নিজের অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য নয়, বরং শিক্ষার মান বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। শিক্ষকের মর্যাদা ও তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্থায়িত্ব এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করছেন।
এই আন্দোলন দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অধিকার আদায়ের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যেখানে আন্দোলনের পদ্ধতি সংলাপ ও সময়মিতি মেনে চলার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।