ইউক্রেন কি রাশিয়া কে ঠেকাতে পারবে ! ১৫০টি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যোগ হচ্ছে

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৬ বার

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৫। আন্তর্জাতিক ডেস্ক, একটি বাংলাদেশ অনলাইন

রাশিয়ার সম্ভাব্য আক্রমণের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে ইউক্রেনকে ১৫০টি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি করেছে সুইডেন। এই তথ্য বুধবার (২২ অক্টোবর) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পর জানিয়েছেন সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বৃহস্পতিবার এই খবর প্রকাশ করেছে। ক্রিস্টারসন জানান, ইউক্রেনকে সর্বোচ্চ ১৫০টি নিজের তৈরি গ্রিপেন যুদ্ধবিমান সরবরাহ করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই দুই দেশ এ বিষয়ে ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ বা ইচ্ছাপত্রে স্বাক্ষর করেছে।

দক্ষিণ সুইডেনের লিনশপিং শহরে দুই নেতার বৈঠকের পর তারা গ্রিপেন যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সাব–SAAB-এর কারখানায় সফর করেন। প্রতিষ্ঠানটি জেএএস ৩৯ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান, গ্লোবালআই নজরদারি বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ট্যাংক অস্ত্র ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন করে।

প্রবাসীদের জন্য এনবিআরের নতুন সুবিধা

সংবাদ সম্মেলনে ক্রিস্টারসন জানান, দুই দেশ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চুক্তি করেছে। এতে ১০০–১৫০টি নতুন গ্রিপেন–ই মডেলের যুদ্ধবিমান রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি। নতুন বিমানের উৎপাদন ও সরবরাহ শুরু হতে আনুমানিক তিন বছর সময় লাগতে পারে। পুরোনো গ্রিপেন মডেল পাঠানোর বিষয়টিও এখনো খোলা রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ার জন্য টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প সেই আবেদন নাকচ করেছিলেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের কাছে তিনি তখন বলেন, “আশা করি তাদের এটা প্রয়োজন হবে না। আমরা যেন যুদ্ধটা শেষ করতে পারি, সেটাই ভালো।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সাল থেকে গ্রিপেন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ২৮০টি বিমান তৈরি করেছে সাব। বুধবার এই খবর প্রকাশের আগেই কোম্পানিটির শেয়ারমূল্য ৩.৩ শতাংশ বেড়ে যায়। সুইডেন সর্বশেষ গ্রিপেন–ই মডেলের ৬০টি বিমান নিজের জন্য অর্ডার করেছে এবং লিনশপিংয়ের কারখানায় উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে এবং রাশিয়ার সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত