দেশে স্বর্ণের দাম ৪ হাজারের বেশি কমলো

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৫ বার
দেশের স্বর্ণের দাম কম

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

দেশের বাজারে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাসের প্রেক্ষিতে। নতুন সমন্বয় অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের মূল্যের তুলনায় ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কম। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারের চাহিদা ও স্বর্ণের আন্তর্জাতিক মূল্য বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ৮ এপ্রিল দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৫৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩১ বার বাড়ানো হয়েছে এবং ২৩ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ৯৩ বার, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার বাজারেও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা।

চলতি বছরে দেশের বাজারে রুপার দাম ৩৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ বার দাম বাড়ানো এবং ১৫ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমার পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদা ও ক্রেতাদের স্বার্থ বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। বাজারে স্বর্ণ ও রুপার হ্রাসকৃত দাম অনেক ক্রেতার জন্য সহায়ক হবে এবং ব্যবসায়িক লেনদেনকে আরও সহজ করবে।

সংক্ষেপে, দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বড় হারে কমানো হয়েছে, যা ক্রেতাদের জন্য অর্থনৈতিক সহায়ক। রূপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে, ফলে দেশের বাজারে জুয়েলারি ও বিনিয়োগে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত