এইচএসসির ফলে ঢাকা বোর্ড শীর্ষে, তলানিতে বরিশাল

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ বার
এইচএসসির ফলে ঢাকা বোর্ড শীর্ষে, তলানিতে বরিশাল

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে এবার শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। অন্যদিকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। দুই বোর্ডের ফলাফলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান থাকলেও সামগ্রিকভাবে প্রায় সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডেই পাসের হার কমেছে। ফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ফলাফলে দেখা যায়, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট। শুধু পাসের হার নয়, সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত বছর এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ ঢাকা বোর্ডেও পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট। তারপরও অন্যান্য সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় ভালো ফল করায় এবার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে রাজধানীকেন্দ্রিক এই শিক্ষা বোর্ড।

অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে এবার পাস করেছেন ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী। গত বছর এই হার ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ পয়েন্ট। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় পতনগুলোর একটি। ঢাকা ও বরিশাল বোর্ডের পাসের হারের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ পয়েন্ট। এই ব্যবধান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান, প্রস্তুতি এবং ফলাফলের বৈষম্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন সামনে এনেছে।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঢাকা বোর্ডের পর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। আর বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ পাসের মধ্য দিয়ে তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে।

ফলাফলের এই পরিসংখ্যান বলছে, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে কেবল ঢাকা নয়, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বোর্ডেও তুলনামূলক ভালো ফল হয়েছে। তবে এসব বোর্ডের পাসের হারও গত বছরের তুলনায় কমেছে। অন্যদিকে বরিশাল, যশোর, রাজশাহী ও দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৬ শতাংশের নিচে অবস্থান করছে। অর্থাৎ এসব বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। বিশেষ করে বরিশাল বোর্ডের ফলাফলে বড় ধরনের পতন শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের কাছে বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। অর্থাৎ প্রায় সমানসংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ফলাফলের এই চিত্র উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষাকেন্দ্রিক মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।

জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও এবার বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২১৯। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৭ হাজার ২৭১ জন। শতকরা হিসাবে এই পতনও বেশ উল্লেখযোগ্য। উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রতিযোগিতায় জিপিএ-৫ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

তবে সামগ্রিক ফলাফলের ক্ষেত্রে শুধু সাধারণ শিক্ষা বোর্ড নয়, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। সব মিলিয়ে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ সার্বিক পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট।

১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছর সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সে হিসাবে এবার সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। বিশেষভাবে লক্ষণীয়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডেও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।

লিঙ্গভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। এবার ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের তুলনায় বেশি। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীরা ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন। মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন এবং ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। ফলে ছাত্রদের তুলনায় ৬৬ হাজার ৩৭১ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তবে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ছাত্ররা সামান্য এগিয়ে রয়েছেন। এবার ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

এবারের ফলাফলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে শতভাগ পাস এবং শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। অন্যদিকে ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করার বিপরীতে অন্য প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীর উত্তীর্ণ হতে না পারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বৈষম্যের বিষয়টিও সামনে এনেছে।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষার আরেকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ছিল নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রের ব্যবহার। এর আগে সাধারণত বোর্ডভেদে আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হতো। এবার প্রথমবারের মতো নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে পরীক্ষার প্রশ্নের মান ও কাঠামোর ক্ষেত্রে বোর্ডগুলোর মধ্যে অভিন্নতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর পরও বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যাওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকসংকট, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং শিক্ষা উপকরণের প্রাপ্যতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ জুলাই। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীরা অংশ নেন। কয়েকটি এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে কিছু পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। সব মিলিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন এবং ফলাফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফল প্রকাশের পর যেসব শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত ফল পাননি, তাঁদের জন্য উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে শিক্ষার্থীরা এ আবেদন করতে পারবেন। তবে পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে উত্তরপত্রের নম্বর গণনা, কোনো প্রশ্নের নম্বর বাদ পড়েছে কি না এবং ফলাফল প্রস্তুতের সময় কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছে কি না, সেসব বিষয় যাচাই করা হবে।

সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল দেশের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করেছে। ঢাকা বোর্ডের শীর্ষস্থান অর্জন যেমন ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, তেমনি বরিশালসহ কয়েকটি বোর্ডের নিম্নমুখী ফলাফল গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে। বিশেষ করে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বোর্ডভিত্তিক ফলাফলের বড় ব্যবধানকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা ও সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি শিক্ষার মান উন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পিছিয়ে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

একটি পরীক্ষার ফলাফল দিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ মেধা, যোগ্যতা কিংবা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায় না। যারা এবার প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি, তাঁদের জন্য সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদেরও উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। এবারের ফলাফল তাই শুধু উত্তীর্ণ ও অনুত্তীর্ণের হিসাব নয়; বরং দেশের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রগতি, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com