প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৫। নিজস্ব সংবাদদাতা। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামী শুক্রবার সকালে টঙ্গীতে আয়োজিত এক বিশাল গণমিছিলের মাধ্যমে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। জুলাই সনদের আইনি বৈধতা প্রতিষ্ঠা এবং প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিকে সামনে রেখে এই গণমিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টার দিকে টঙ্গীর শালিকচূড়া এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে স্টেশন রোড বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন গাজীপুর-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. হাফিজুর রহমান। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূইয়া, মহানগর আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, নায়েবে আমির খায়রুল হাসান, মো. হোসেন আলী, সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী, মহানগর সেক্রেটারি আ স ম ফারুক, আফজাল হোসাইন, পশ্চিম থানা আমির আনোয়ার হোসেন ভূইয়া ও পূর্ব থানা আমির নজরুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শত শত নেতাকর্মী।
মিছিলে বক্তারা বলেন, জুলাই সনদের আলোকে একটি নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন ছাড়া দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। তারা দাবি করেন, জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে এ পাঁচ দফা দাবির কোনো বিকল্প নেই।
এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে গাজীপুর-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে ড. হাফিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রার্থী ঘোষণার পরপরই আয়োজিত এই গণমিছিলটিকে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় শক্তি প্রদর্শনের শোডাউন হিসেবেও দেখা হচ্ছে। উপস্থিত নেতাকর্মীদের স্লোগান ও ব্যানার-ফেস্টুনে ছিল “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করো”, “নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি মানতেই হবে”—এর মতো রাজনৈতিক বার্তা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচন ঘিরে জামায়াতের এ ধরনের জনসমাবেশ দলটির সাংগঠনিক উপস্থিতি ও গণভিত্তি পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষত, নতুন প্রার্থীর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং একই সঙ্গে বিশাল মিছিলের আয়োজন দলটির ভবিষ্যৎ নির্বাচনী কৌশলকে আরও গতিশীল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।