বাংলাদেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ১ কোটি ৩৮ লাখ মানুষ

একটি বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৫ বার
বাংলাদেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ১ কোটি ৩৮ লাখ মানুষ প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২৫। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক। একটি বাংলাদেশ অনলাইন। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ, ১৪ নভেম্বর। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি নানা আয়োজন ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। ডায়াবেটিসকে এখন আর শুধু একটি অসুখ হিসেবে দেখা হয় না, বরং এটি একটি নীরব মহামারি, যা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও জাতীয় অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও সীমিত স্বাস্থ্যসেবার দেশে সমস্যা আরও গভীরভাবে দেখা দিচ্ছে। তাই এ দিনের তাৎপর্য শুধু অনুষ্ঠান পালনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষকে ঝুঁকি, প্রতিরোধ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করাই মূল লক্ষ্য। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘কর্মস্থলে ডায়াবেটিস সচেতনতা গড়ে তুলুন’, যা মূলত কর্মরত মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক জীবনযাপন, দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা, চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ, অনিয়মিত ঘুম এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ডায়াবেটিসের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মতো কর্মব্যস্ত সমাজে কর্মস্থলে স্বাস্থ্যসচেতনতা না থাকলে এ রোগের সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। তাই সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, অফিস ও কারখানাগুলোতে ডায়াবেটিস পরীক্ষা, সচেতনতা শিক্ষা, শারীরিক ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যবান্ধব কর্মনীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ১৯৯১ সালে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশন (আইডিএফ) ১৪ নভেম্বরকে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০৭ সাল থেকে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালন শুরু হয়। বাংলাদেশেও বহু বছর ধরে গুরুত্বের সঙ্গে এ দিবস পালন হয়ে আসছে। বাংলাদেশের ডায়াবেটিক সমিতির সক্রিয় ভূমিকার পর ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দিবসটি পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়, যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য অঙ্গনে বাংলাদেশের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে বিবেচিত হয়। আইডিএফের সর্বশেষ বৈশ্বিক রিপোর্টে দেখা যায়, প্রাপ্তবয়স্ক ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন বিশ্বে সপ্তম। দেশের মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা ১১ কোটি ৩০ লাখের বেশি। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৭ হাজারেরও বেশি। উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এ সংখ্যার প্রায় অর্ধেকই নারী, যাদের মধ্যে অনেকেই রোগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারণে সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ বহু মানুষ আছেন যারা উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষা না করানোয় এখনও শনাক্ত হননি। ডায়াবেটিসকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয় কারণ এটি ধীরে ধীরে দেহের বিভিন্ন অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইডিএফের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন ডায়াবেটিস রোগীর মৃত্যু ঘটে এবং একই সময়ে দুজন নতুন রোগী শনাক্ত হন। বাংলাদেশে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, জিনগত প্রভাব, নগরায়ণের চাপ এবং মানসিক চাপ—সব মিলিয়ে ঝুঁকি প্রতিদিন বাড়ছে। শিশু ও কিশোরদের মধ্যেও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের বৃদ্ধি বিশেষ উদ্বেগের বিষয়, যা অতীতের তুলনায় এখন বহুগুণ বেশি দেখা যাচ্ছে। ডায়াবেটিস শুধু ব্যক্তির শারীরিক অসুস্থতা নয়, বরং চিকিৎসা ব্যয়, কর্মক্ষমতা হারানো, হাসপাতালে ভর্তি, অঙ্গহানি এবং জীবনমানের অবনতি ঘটায়। এজন্য রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত পরীক্ষা, ইনসুলিন বা ওষুধ সেবন, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন যে, ডায়াবেটিস শনাক্ত হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া বেশি কার্যকর। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো জনসচেতনতা বাড়ানো, বিশেষ করে যারা ঝুঁকিপূর্ণ বয়সে বা পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে তাদের নিয়মিত পরীক্ষা করাতে উৎসাহিত করা। সকাল থেকে সিরিজ আকারে বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে। সকালে শাহবাগ বারডেম কার পার্কিং এলাকা থেকে টেনিস ক্লাব গেট পর্যন্ত প্লাকার্ড হাতে রোড শো অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন। পাশাপাশি ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের চতুর্থ তলায় স্বল্পমূল্যে হার্ট, নিউরো ও ভাসকুলার পরীক্ষা চালু করা হয়েছে, যা দিনভর চলবে। বারডেম, এনএইচএন ও বিআইএইচএসের বিভিন্ন কেন্দ্রে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলবে। এই ধরনের পরীক্ষা মানুষের মধ্যে দ্রুত রোগ শনাক্ত করার সুযোগ তৈরি করে। বারডেম অডিটোরিয়ামে দুপুরে আলোচনা সভা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশ নিচ্ছেন। এতে ডায়াবেটিস রোগী, তাদের পরিবার এবং সাধারণ মানুষ রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছেন। দিবস উপলক্ষে রক্তদানের মতো মানবিক উদ্যোগও রাখা হয়েছে, যা আজ ও আগামীকাল সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য নীতির উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, সঠিক তথ্য প্রচার এবং জীবনযাপনের পরিবর্তনই পারে বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে।

প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২৫। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক। একটি বাংলাদেশ অনলাইন।

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ, ১৪ নভেম্বর। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি নানা আয়োজন ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। ডায়াবেটিসকে এখন আর শুধু একটি অসুখ হিসেবে দেখা হয় না, বরং এটি একটি নীরব মহামারি, যা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও জাতীয় অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও সীমিত স্বাস্থ্যসেবার দেশে সমস্যা আরও গভীরভাবে দেখা দিচ্ছে। তাই এ দিনের তাৎপর্য শুধু অনুষ্ঠান পালনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষকে ঝুঁকি, প্রতিরোধ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করাই মূল লক্ষ্য।

এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘কর্মস্থলে ডায়াবেটিস সচেতনতা গড়ে তুলুন’, যা মূলত কর্মরত মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক জীবনযাপন, দীর্ঘ সময় বসে কাজ করা, চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ, অনিয়মিত ঘুম এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ডায়াবেটিসের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মতো কর্মব্যস্ত সমাজে কর্মস্থলে স্বাস্থ্যসচেতনতা না থাকলে এ রোগের সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। তাই সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, অফিস ও কারখানাগুলোতে ডায়াবেটিস পরীক্ষা, সচেতনতা শিক্ষা, শারীরিক ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যবান্ধব কর্মনীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

১৯৯১ সালে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশন (আইডিএফ) ১৪ নভেম্বরকে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০৭ সাল থেকে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালন শুরু হয়। বাংলাদেশেও বহু বছর ধরে গুরুত্বের সঙ্গে এ দিবস পালন হয়ে আসছে। বাংলাদেশের ডায়াবেটিক সমিতির সক্রিয় ভূমিকার পর ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দিবসটি পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়, যা আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য অঙ্গনে বাংলাদেশের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে বিবেচিত হয়।

আইডিএফের সর্বশেষ বৈশ্বিক রিপোর্টে দেখা যায়, প্রাপ্তবয়স্ক ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন বিশ্বে সপ্তম। দেশের মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা ১১ কোটি ৩০ লাখের বেশি। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৭ হাজারেরও বেশি। উদ্বেগজনক বিষয় হলো—এ সংখ্যার প্রায় অর্ধেকই নারী, যাদের মধ্যে অনেকেই রোগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারণে সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ বহু মানুষ আছেন যারা উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষা না করানোয় এখনও শনাক্ত হননি।

ডায়াবেটিসকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয় কারণ এটি ধীরে ধীরে দেহের বিভিন্ন অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইডিএফের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন ডায়াবেটিস রোগীর মৃত্যু ঘটে এবং একই সময়ে দুজন নতুন রোগী শনাক্ত হন। বাংলাদেশে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, জিনগত প্রভাব, নগরায়ণের চাপ এবং মানসিক চাপ—সব মিলিয়ে ঝুঁকি প্রতিদিন বাড়ছে। শিশু ও কিশোরদের মধ্যেও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের বৃদ্ধি বিশেষ উদ্বেগের বিষয়, যা অতীতের তুলনায় এখন বহুগুণ বেশি দেখা যাচ্ছে।

ডায়াবেটিস শুধু ব্যক্তির শারীরিক অসুস্থতা নয়, বরং চিকিৎসা ব্যয়, কর্মক্ষমতা হারানো, হাসপাতালে ভর্তি, অঙ্গহানি এবং জীবনমানের অবনতি ঘটায়। এজন্য রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত পরীক্ষা, ইনসুলিন বা ওষুধ সেবন, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন যে, ডায়াবেটিস শনাক্ত হওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া বেশি কার্যকর।

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি দুই দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো জনসচেতনতা বাড়ানো, বিশেষ করে যারা ঝুঁকিপূর্ণ বয়সে বা পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে তাদের নিয়মিত পরীক্ষা করাতে উৎসাহিত করা। সকাল থেকে সিরিজ আকারে বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে। সকালে শাহবাগ বারডেম কার পার্কিং এলাকা থেকে টেনিস ক্লাব গেট পর্যন্ত প্লাকার্ড হাতে রোড শো অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন। পাশাপাশি ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের চতুর্থ তলায় স্বল্পমূল্যে হার্ট, নিউরো ও ভাসকুলার পরীক্ষা চালু করা হয়েছে, যা দিনভর চলবে।

বারডেম, এনএইচএন ও বিআইএইচএসের বিভিন্ন কেন্দ্রে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলবে। এই ধরনের পরীক্ষা মানুষের মধ্যে দ্রুত রোগ শনাক্ত করার সুযোগ তৈরি করে। বারডেম অডিটোরিয়ামে দুপুরে আলোচনা সভা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশ নিচ্ছেন। এতে ডায়াবেটিস রোগী, তাদের পরিবার এবং সাধারণ মানুষ রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছেন। দিবস উপলক্ষে রক্তদানের মতো মানবিক উদ্যোগও রাখা হয়েছে, যা আজ ও আগামীকাল সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ শুধু চিকিৎসার মাধ্যমে সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য নীতির উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, সঠিক তথ্য প্রচার এবং জীবনযাপনের পরিবর্তনই পারে বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত