ইউক্রেনকে কখনো আপস করতে বাধ্য করা যাবে না: প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩২ বার

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট  ২০২৫ । একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার দেশটির স্বাধীনতা দিবসে একটি ভিডিও ভাষণের মাধ্যমে জানিয়েছেন, ইউক্রেনকে আর কখনোই আপস করতে বাধ্য করা যাবে না। তিনি বলেন, ইউক্রেনের জনগণ তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে নিজেরাই এবং কোনো বাহ্যিক শক্তি দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত করতে পারবে না। বার্তা সংস্থা আনাদোলু এখানকার বক্তব্যটি সম্প্রচার করেছে।

জেলেনস্কি তার ভাষণে বলেন, “ইতিহাসে আর কখনোই ইউক্রেনকে সেই লজ্জার মুখোমুখি হতে হবে না, যা রাশিয়া আপস বলে অভিহিত করে। আমাদের একটি ন্যায্য ও স্থায়ী শান্তি দরকার, এবং আমাদের ভবিষ্যৎ আমরা নিজেরাই নির্ধারণ করব। বিশ্ব এই দৃঢ়তাকে সম্মান করছে।” তিনি আরও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সবাই স্বীকার করছে যে কিয়েভ এখনও পুরোপুরি জয়ী হয়নি, তবে আমরা কখনোই হারব না।”

প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জনসাধারণকে উদ্দীপিত করতে উল্লেখ করেন, “ইউক্রেন তার স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। আমরা কারো শিকার নই। আমরা শুধু ভিক্ষা করি না, বরং প্রস্তাব দেই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে টেকসই, নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জন করা, যা আমরা শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে অর্জন করব। এটি শুধু আমাদের জন্য নয়—আমাদের সন্তান-নাতি-নাতনিদের জন্যও একটি উত্তরাধিকার।”

তিনি বিশেষভাবে বলেছিলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো শক্তিশালী ইউক্রেন, সমান মর্যাদার ইউক্রেন, ইউরোপীয় ইউক্রেন এবং স্বাধীন ইউক্রেন প্রতিষ্ঠা করা।” জেলেনস্কির এই ভাষণ ইউক্রেনের জনগণের মধ্যে স্বাধীনতা ও জাতীয়তাবোধ আরও জাগ্রত করেছে।

উল্লেখ্য, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এখনও চলমান রয়েছে। রাশিয়া যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে সামরিক অভিযান আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর থেকে এই যুদ্ধে স্থায়ী শান্তি আনতে বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৫ আগস্ট আলাস্কায় ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের পর বিষয়টি কিছুটা এগিয়েছে। পরে হোয়াইট হাউসে ওভাল অফিসে ট্রাম্প, জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলেনস্কির বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্যোগ উভয়ই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইউক্রেন স্বাধীনতার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং তার ভূখণ্ড ও জনগণকে রক্ষা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত