প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ।নিজস্ব সংবাদদাতা ।একটি বাংলাদেশ অনলাইন
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সরাসরি বিমান চলাচল শিগগিরই পুনঃস্থাপন করা হবে। এতে দুই দেশের বাণিজ্য, পর্যটন এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার বেবিচক সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক পাকিস্তান সিভিল এভিয়েশন অথরিটির মহাপরিচালক নাদির শাফি দারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ সরাসরি বিমান চলাচল পুনঃস্থাপনের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। বৈঠকে উভয় দেশের কর্মকর্তারা এ উদ্যোগকে দুই দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা ভবিষ্যতে বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেন।
বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, “ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল পুনঃস্থাপন হলে শুধু বাণিজ্যিক কার্যক্রমই নয়, পর্যটন এবং সাধারণ জনগণের ভ্রমণও সুবিধাজনক হবে। এ উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করবে।”
পক্ষান্তরে পাকিস্তান সিভিল এভিয়েশন অথরিটির মহাপরিচালক নাদির শাফি দার বলেন, “বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এ ফ্লাইটের মাধ্যমে যাত্রীরা সময় বাঁচাবে এবং ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।”
সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বেবিচক-এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী। তারা উভয় দেশের বিমান চলাচল খাতের সম্ভাবনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ঢাকা–করাচি সরাসরি বিমান চলাচল পুনঃস্থাপন হলে দুই দেশের বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক ও পর্যটন সংযোগের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। এর মাধ্যমে যাত্রীরা দ্রুত ভ্রমণ সুবিধা পাবেন এবং ব্যবসায়িক লেনদেনও আরও সুষ্ঠু ও দ্রুততর হবে।