আটক নাগরিকদের দেশে ফেরাতে সিউল-ওয়াশিংটন সমঝোতা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৮২ বার
আটক নাগরিকদের দেশে ফেরাতে সিউল-ওয়াশিংটন সমঝোতা

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
একটি বাংলাদেশ ডেস্ক | একটি বাংলাদেশ অনলাইন

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় হুন্দাই কারখানায় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অভিযানে আটক হওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করেছে সিউল। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ কাং হুন-সিক। তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর একটি চার্টার্ড বিমান পাঠিয়ে আটক নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে ভিসাব্যবস্থার সংস্কারেরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন এ লক্ষ্যে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে হুন্দাই কারখানায় পরিচালিত অভিযানে ৪৭৫ জন শ্রমিককে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৩০০ জনের বেশি ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই তারা সেখানে কাজ করছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।

ঘটনার পর থেকে বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক সামাজিকমাধ্যম পোস্টে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগকারী সব বিদেশি কোম্পানিকে অভিবাসন আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, স্বল্পমেয়াদি ভিসা বা পর্যটক ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই এবং এ ধরনের আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তদন্ত শাখার আটলান্টা অঞ্চলের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ শ্রাঙ্ক বলেছেন, এই অভিযান তাদের অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ। যারা ভিসাব্যবস্থার অপব্যবহার করে কিংবা মার্কিন শ্রমবাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাদের জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতেই হবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যেই মার্কিন উৎপাদন খাতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশেষ করে শুল্ক কমানো ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ানো হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই ঘটনা দুই দেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার আশা করছে, আটক নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং একইসঙ্গে ভিসাব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলো সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে নাগরিকদের এমন দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখা যাবে।

আপনি কি চান আমি চাইলে এই সংবাদে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমনীতি বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ কূটনীতি প্রসঙ্গ যোগ করে আরও গভীরভাবে তুলে ধরি?

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত