ট্রাম্পের গাজা সফর-সম্ভাবনায় প্রত্যাশা ও উত্তেজনা

একটি বাংলাদেশ অনলাইন
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩১ বার
https://ektibangladesh.com/?p=11626&preview=true

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৫। নিজস্ব সংবাদদাতা। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক

”আমি না গিয়েও জায়গাটিকে ভালোভাবে জানি, তবে সেখানে যাওয়ার সুযোগ পেলে তা সম্মানজনক হবে।”

মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে মিশরে গাজা শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে ইসরাইলে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসময় তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যদি গাজায় সফর করতে পারেন তবে তা তাঁর জন্য একটি সম্মানের বিষয় হবে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ১০টার কিছু আগে ট্রাম্প বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে উপস্থিত ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা তাঁকে স্বাগত জানান।

এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তিনি গাজা নিয়ে আগে থেকেই সুপরিচিত এবং সেখানে গেলে অন্তত একটি পা রাখতে পারলে তা তাঁর জন্য বিশেষ মর্যাদার বিষয় হবে। তিনি আরও বলেন, “আমি না গিয়েও জায়গাটিকে ভালোভাবে জানি, তবে সেখানে যাওয়ার সুযোগ পেলে তা সম্মানজনক হবে।”

গাজা সফরের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, “আমরা মনে করি আগামী কয়েক দশকে অঞ্চলটিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। তবে এই পরিবর্তন দ্রুত করার চেষ্টা ঠিক হবে না। কাজগুলো ধাপে ধাপে এবং সঠিক গতিতে এগিয়ে নিতে হবে।”

এয়ারপোর্ট থেকে ট্রাম্প সরাসরি তেল আবিবে পৌঁছান এবং সেখানে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে জেরুজালেমের উদ্দেশে রওনা হন। জেরুজালেমে তিনি ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দেবেন এবং কয়েকজন জিম্মির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এরপর ট্রাম্প মিশরের পর্যটন শহর শার্ম আল-শেখে গাজা শান্তি সম্মেলনে যোগ দেবেন, যেখানে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি সহ ট্রাম্প স্ব-সভাপতিত্ব করবেন। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টির বেশি দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা মিশরে পৌঁছেছেন।

শান্তি সম্মেলনের লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাতের সমাধান এবং ফিলিস্তিনি অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের গাজা সফর শুধুমাত্র প্রতীকী নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হিসেবেও বিবেচিত হবে।

সমালোচকরা উল্লেখ করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি গাজা সফর একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল উদ্যোগ, যা সঠিক কূটনৈতিক সমঝোতার ওপর নির্ভরশীল। তবুও ট্রাম্পের আগ্রহ এবং সম্ভাব্য সফর মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় নতুন দিক নির্দেশনা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর

স্বত্ব © ২০২৫ একটি বাংলাদেশ | মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ইবনে আম্বিয়া কর্তৃক সরাসরি যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত