প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫। একটি বাংলাদেশ ডেস্ক । একটি বাংলাদেশ অনলাইন।
২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ২০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বকশিবাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত বছর শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৬৫টি, যা এবার বেড়ে ২০২টিতে দাঁড়িয়েছে। এ সংখ্যার বৃদ্ধি শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও উপজেলা পর্যায়ের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান, শিক্ষক সংকট এবং পর্যাপ্ত শিক্ষাসামগ্রীর অভাব এ ধরনের ফলাফলের পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, ইংরেজি, গণিত ও আইসিটি বিষয়ে দুর্বল ফলাফলের কারণে সামগ্রিক পাসের হার কমেছে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শতভাগ ফেল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি শিক্ষার গুণগত মানের সংকটের ইঙ্গিত বহন করে। তারা বলছেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পাঠ্যসূচি সংস্কার ছাড়া এ ধারা থামানো কঠিন হবে।
ফলাফল ঘোষণার পর শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, যেসব শিক্ষার্থী নিজেদের ফলাফল নিয়ে সন্দেহ করছেন, তারা ১৭ থেকে ২৩ অক্টোবরের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।